প্যারিস: বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে আন্দোলনকারীদের। এরই মধ্যে দেশের রাজধানী প্যারিসের শহরতলিতে চলল গুলি। ট্রাপেস ও লা ভেরিয়েরের এই ঘটনায় একজন নিহত ও চারজন গুরুতর জখম হয়েছেন। হামলায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে ফ্রান্সের জাতীয় সন্ত্রাস দমন শাখা। এই হামলার সঙ্গে জাতিবিদ্বেষগত কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনাকে ‘জঙ্গি হামলা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। প্রাথমিকভাবে তিনি জানিয়েছেন, খুব সম্ভবত সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত বা স্বয়ংক্রিয় কোনো বন্দুক দিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল। ট্রাপেসের মেয়র আলি রাবেহ জানিয়েছেন, পথচলতি মানুষদের নিশানা করে আচমকা গুলি চালাতে শুরু করে ওই বন্দুকবাজ। এই হামলায় আরও অনেকের প্রাণহানি হতে পারত। সেটা যে হয়নি, এটাই সৌভাগ্যের।
আজ শনিবার ফ্রান্সজুড়ে ফের বড়োমাপের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ইয়োলো ভেস্ট আন্দোলনকারী ও ছাত্র সংগঠনগুলি। তার আগেই এই ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে ওই বিক্ষোভের সঙ্গে এই হামলার যোগসূত্র আছে কি না, তা জানা যায়নি। ইতিমধ্যে বিক্ষোভ ঠেকাতে ফ্রান্সজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ ও বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পারদর্শীদের মোতায়েন করা হয়েছে। থাকবে হেলিকপ্টার, ড্রোনও। পাশাপাশি, বিক্ষোভকারীদের ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক শহরে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।



