


নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: রাজ্য সড়কের ধারে পার্কিং জোন থাকলেও রাস্তার ধারেই সারি সারি বাইক রাখা হচ্ছে। এর জেরে রাস্তা সরু হয়ে যানজট হচ্ছে। সেকারণে পার্কিং জোন ব্যবহার শুরু করতে সাতদিনের সময়সীমা বেঁধে দিল আরামবাগ থানার পুলিস। মঙ্গলবার রাস্তায় বেরিয়ে বাইকচালক, ব্যবসায়ীদের পুলিসকর্তারা সচেতন করেন। এদিন আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী, আইসি রাকেশ সিং সহ অন্য পুলিস আধিকারিকরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসডিপিও বলেন, নির্দিষ্ট জায়গায় পার্কিং করার বিষয়ে বাইকচালকদের সচেতন করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিকদেরও নোটিস দেওয়া হবে। তাঁরা যাতে নিজেদের দোকানের সামনের রাস্তায় বাইক পার্কিং করতে নিষেধ করেন, সেটা বলা হবে। আগামী সাতদিন সময় দেওয়া হয়েছে। এরপরও নিয়ম না মানা হলে পুলিস বাইক পিছু জরিমানা করবে। ফোর লেন রাস্তা বেআইনি পার্কিংয়ের জন্য যাতে সংকীর্ণ না হয়ে পড়ে-সেটাই আমরা চাই। এতে দুর্ঘটনা ও যানজট অনেকটা কমানো সম্ভব হবে। পুলিস জানিয়েছে, ১ মার্চ থেকে আরামবাগ শহরের বসন্তপুর মোড়ে পার্কিং জোন চিহ্নিত করেছে পুরসভা। বাইক পিছু ঘণ্টায় পাঁচ টাকা করে দিতে হবে। গাড়ির জন্য ২০টাকা করে ধার্য হয়েছে। ওই পার্কিং জোন খুলে দেওয়া হলেও সেখানে নিত্যদিন হাতে গোনা কয়েকটি বাইক ও গাড়ি দেখা যেত। অথচ তার কাছেই রাজ্য সড়কের ধারে সারি সারি বাইক, চারচাকা গাড়ি ও টোটো দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে আরামবাগ-কলকাতা রাজ্য সড়কের লিংক রোডে যানজট লেগেই থাকে। অভিযোগ, ওই এলাকায় বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে আসা ব্যক্তিরাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তার ধারে বাইক দাঁড় করিয়ে রাখেন। এতে অ্যাম্বুলেন্স সহ অন্য যান চলাচলে অসুবিধা হয়।
রাস্তার ওই অংশ দিয়ে রোজ স্কুলপড়ুয়ারা যাতায়াত করে। কেউ সাইকেলে, কেউ হেঁটে, আবার অনেকে অভিভাবকদের সঙ্গে বাইকে যাতায়াত করে। রাস্তার যানজটের ফলে তাঁদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পার্কিং জোনেই যাতে সবাই বাইক ও গাড়ি রাখে, সেটা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পুলিসি নজরদারির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। পুলিস জানিয়েছে, বেআইনি পার্কিং বরদাস্ত করা হবে না। সাতদিন পর থেকে কেউ যেখানে সেখানে বাইক বা গাড়ি রাখলে জরিমানা করা হবে।