বেঙ্গালুরু: ফাঁকা জমিতে আগাছা পরিষ্কারের কাজ চলছিল। কাজ চলাকালীন আচমকা কিছুতে হোঁচট খান পুরসভার এক সাফাইকর্মী। পিছনে তাকাতেই দেখলেন, মাটির ভিতর থেকে একটি হাত বেরিয়ে রয়েছে। ভয়ে চিৎকার করে ওঠেন তিনি। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয় দেহ। এভাবেই জমি পরিষ্কারে নেমে খুনের কিনারা করলেন সাফাইকর্মীরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর সাম্পিগেহাল্লি অঞ্চলের। মৃতের নাম অনসূয়া বেহেরা। তদন্তে জানা যায়, বচসার জেরে অনসূয়াকে খুন করে তাঁর স্বামী সাগর চন্দ্র রাওয়াত। ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হৃয়েছে।
সূত্রের খবর, সাগর ও অনসূয়ার প্রমে করে বিয়ে হয়। সাগর আদতে বিহারের বাসিন্দা। তবে কয়েক মাস আগেই বেঙ্গালুরু চলে আসে তাঁরা। সেখানে একটি হোটেলে কাজ শুরু করে সাগর। অন্যদিকে, একটি কাপড়ের দোকানে কাজ খুজে নেন অনসূয়া। পুলিশ জানিয়েছে, টাকাপয়সা নিয়ে নিত্যদিন ঝগড়া করত এই দম্পতি। গত ১১ আগস্ট বচসা চলাকালীন অনসূয়াকে শ্বাসরোধ করে খুন করে সাগর। তিনদিন ধরে স্ত্রীর দেহ বাড়িতেই রেখে দেয় অভিযুক্ত। তিনদিন পর সুযোগ বুঝে সাম্পিগেহাল্লির একটি ফাঁকা জমিতে অনসূয়ার দেহ পুঁতে রাখে সে। পুলিশের সন্দেহ, কেউ দেহ দেখেছে কি না তা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ঘটনাস্থলের আশেপাশে ঘুরে আসত সাগর। তবে সেই প্রচেষ্টা সফল হল না। ২ সেপ্টেম্বর যুবতীর দেহ উদ্ধার হয়। তবে পরিচয় জানা যায়নি। দেহে পচন ধরার পাশাপাশি বেশকিছুটা অংশ ছিঁড়ে খেয়েছিল পথকুকুরের দল। তদন্তকারী এক অফিসার জানিয়েছেন, মহিলার পরনে থাকা পোশাকে একটি ট্যাগ ছিল। সেই ট্যাগের সাহায্যে একটি পোশাকের দোকানের সন্ধান মেলে। জানা যায়, অনসূয়া ওই দোকানেই কাজ করতেন।