মুম্বই: আইআইটি বম্বের পড়ুয়া সাহিল ওয়াকড়ের আত্মহত্যা ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। দুই অভিযুক্ত অধ্যাপক শিরীষ কেদারে ও সূর্যনারায়ণ দুল্লার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবি মানা না হলে অনশনে বসার কথা জানিয়েছিলেন সাহিলের বাবা-মা। তবে তার আগেই তাঁদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে অধ্যাপক সূর্যনারায়ণকে ডিন (প্রশাসনিক বিষয়ক) পদ থেকে সাসপেন্ড করেছে আইআইটি বম্বে কর্তৃপক্ষ। এবার তাঁকে ছুটিতে পাঠানো হল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে খবর, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। বুধবার ১০ সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি পৃথকভাবে তদন্ত চালাচ্ছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
মঙ্গলবার ফের সূর্যনারায়ণ ও শিরীষের গ্রেপ্তারির দাবি জানান মৃত পড়ুয়ার বাবা রবীন্দ্র ওয়াকড়। তিনি বলেন, ‘অভিযুক্তদের এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি কেন? কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে আমাদের তা জানানো উচিত। আমরা পোয়াইতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছি। এবার প্রতিষ্ঠানের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসব। তদন্তে কোনো বাধা সৃষ্টি করব না।’ সূত্রের খবর, বুধবার ভোররাতে আইআইটি বম্বের পোয়াই ক্যাম্পাস থেকে বেরচ্ছিলেন রবীন্দ্র ও তাঁর স্ত্রী সোনালি। সঙ্গে আইনজীবী নিখিল ওয়াকড়। অভিযোগ, গেটের বাইরে যেতেই সাদা পোশাক পরা কয়েকজন তাঁদের অন্য একটি গাড়িতে উঠতে বলেন। আইনজীবীর কথায়, ‘আমার মক্কেলদের গাড়ি থাকা সত্ত্বেও তাঁদের একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে তোলা হয়। তাই আমিও সঙ্গে যাই।’ তাঁর দাবি, গন্তব্যের কথা জানতে চাইলে দম্পতিকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়। সাহিলের বাবা-মা সাফ জানান, সকাল থেকে আইআইটি বম্বের বাইরে অনশনে বসবেন। তা সত্ত্বেও গাড়ি থামেনি। দম্পতির আইনজীবী জানান, সমৃদ্ধি এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত পুলিশের গাড়ি তাঁদের পিছু নিয়েছিল। ওয়াশিমের করঞ্জ লাড অঞ্চলে পৌঁছাতেই শৌচালয়ে যাওয়ার কথা জানান সাহিলের বাবা-মা। তখন গাড়ি থেকে নেমে আসতে পারেন তাঁরা।