নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: আমাদের সঙ্গে এনসিপিআইয়ের কোনো যোগাযোগ নেই। বুধবার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, আর্থিক সমস্যার কারণে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। রেজিনগর উপনির্বাচনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের দাবিতে মুর্শিদাবাদ পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিধায়ক ঋতব্রত ও আখরুজ্জামান। সেখানে ঋতব্রত বলেন, ‘আমাদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ উপনির্বাচনে জয়ী হবেন, আমরা আত্মবিশ্বাসী। আমাদের টাকা পয়সার সমস্যা রয়েছে। আমাদের সবাইকে চাঁদা তুলে পার্টি চালাতে হচ্ছে। প্রচার শুরু করেছি। আমাদের সামর্থ্য সীমিত। তবে সদিচ্ছার অভাব নেই। কারণ, অ্যাকাউন্ট নিয়ে এখনও ফয়সালা হয়নি। যাদের হাতে, পাথর বালি, কয়লা, গরু ও টেটের টাকা আছে তাদের প্রচার ভালোভাবে চলছে। তবে আমরাও শুরু করেছি। প্রার্থীকে নিয়ে বাড়িবাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করব। আমাদের সেই ব্যাপারে বৈঠক রয়েছে।’
এদিন, বহরমপুরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের নেতা কর্মীরা বৈঠক করেন। সেখানে নির্বাচনের প্রচার কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। রেজিনগরের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে কে কোন অঞ্চলে কিভাবে প্রচার করবেন, সে ব্যাপারে বিশদে আলোচনা করেন তাঁরা। এদিকে সাংসদ আবু তাহেরের ভাগ্নে সফিউজ্জামান এই কেন্দ্রের প্রার্থী। এদিকে এনসিপিআইয়ের কমিটিতে রয়েছেন তাহের। তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। কারণ, এনসিপিআইয়ের তরফে বিজেপির হয়ে ভোটের ময়দানে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার তাহের কি করেন, সেটাই দেখার। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ঋতব্রত বলেন, ‘আবু তাহের খান আগেই প্রকাশ্যে জানিয়েছেন বিজেপি ও এনডিএ’র সঙ্গে নেই। বাকিটা উনি বলবেন।’
মুর্শিদাবাদ পুলিশ সুপার সচিন মক্কারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে ঋতব্রত বলেন, ‘অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং দলের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাতেই এই সাক্ষাৎ। আমাদের দলের কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। নির্বাচনের সময়ে যাতে তাঁদের উপর কোনও ধরনের অন্যায় বা অত্যাচার না হয়, সেই বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।’ প্রাক্তন আইপিএস তথা তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের উপর হামলার অভিযোগ নিয়েও ঋতব্রতকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘হুমায়ুন কবীরের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। এটা নিজেদের মধ্যে বিবাদ কি না, সেটাও জানি না। যে বিষয়টা জানি না, তা নিয়ে বলতে পারব না।’