দেশের মানুষের জীবনযাত্রায় মিশে গিয়েছে রিলায়েন্স, লগ্নিকারীদের জন্যও খুশির বার্তা
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটি বড়ো উদ্যোগ গড়ে তোলা কঠিন। কিন্তু উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া উদ্যোগকে আরও বড়ো করা আরও কঠিন পরীক্ষা। ২০০২ সালে ধীরুভাই আম্বানি যখন প্রয়াত হন, তখন রিলায়েন্স দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগোষ্ঠী। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর উত্তরসূরি শুধু যা আছে, সেটাই রক্ষা করবেন। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে অনেকটাই। সেই পরিবর্তনের সাক্ষ্য বহন করছে গুজরাতের জামনগর। মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বে এই শহর আজ বিশ্বের বৃহত্তম রিফাইনিং কমপ্লেক্স, যেখান থেকে প্রক্রিয়াজাত জ্বালানি ভারতের পাশাপাশি একাধিক দেশে সরবরাহ করা হয়। রিলায়েন্সের দাবি, জামনগর শুধু একটি রিফাইনারি নয়। বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, দক্ষতা এবং গোটা উৎপাদন প্রক্রিয়ার ইকোসিস্টেম গুজরাতকে বিশ্বের জ্বলানি মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে দিয়েছে। একই অঞ্চলে গড়ে উঠেছে ধীরুভাই আম্বানি গ্রিন এনার্জি গিগা কমপ্লেক্স, যা ভবিষ্যতের জ্বালানির দিকে রিলায়েন্সের বড়ো পদক্ষেপ। 

Advertisement

রিলায়েন্সের দাবি, একসময় এই সংস্থাকে মানুষ চিনত পোশাকের কারণে। নারোদার টেক্সটাইল মিল দিয়ে রিলায়েন্স একসময় ঘরে ঘরে পরিচিত হয়েছিল। মুকেশ আম্বানি সেই যোগাযোগকে পরিবারের প্রতিটি কোণে পৌঁছে দিয়েছেন। রিলায়েন্স রিটেল কেনাকাটাকে বড়ো শহর থেকে ছোটো শহরে নিয়ে গিয়েছে। তারপর এসেছে মিডিয়া, বিনোদন, ডিজিটাল পরিষেবা এবং টেলিকম। যে সংস্থা এক সময় সুতো তৈরি করত, এক প্রজন্মের হাত ধরেই সেই রিলায়েন্স পরিবারের জামাকাপড় থেকে শুরু করে সেই পরিবার কী কিনবে, কী দেখবে এবং কীভাবে দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকবে, সবকিছুতে পৌঁছে গিয়েছে। 
শেয়ার হোল্ডারদের সঙ্গে সম্পর্কও অটুট থেকেছে বরাবর, দাবি করেছে তারা। ২০০৬ সালে রিলায়েন্স পেট্রলিয়াম বড়ো পাবলিক ইস্যু এনেছিল, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লগ্নিতে বড়ো সুযোগ করে দিয়েছিল। সংস্থাটির দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য আরও বড়ো কিছু অপেক্ষা করছে। জিওর শেয়ার তাঁদের কোন পথ খুলে দেয়, এখন সেটাই দেখার।