নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: যুদ্ধ আবহে কি এবার সংকট ঘনাচ্ছে রেলের রান্নাঘরেও? প্রশ্ন উঠছে। কারণ ইতিমধ্যেই আইআরসিটিসির ‘বেস কিচেন’গুলিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ পাঠিয়েছে রেলমন্ত্রক। ‘বেস কিচেন’গুলোর সুপারভাইজারদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে যে, পর্যাপ্ত এলপিজি সিলিন্ডারের স্টক আছে কি না, তা অবিলম্বে খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো রিপোর্ট করতে হবে কর্তৃপক্ষকে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে যত দ্রুত সম্ভব এব্যাপারে পদক্ষেপ করতে হবে। সরকারি সূত্রে এখবর জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে রেলমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কোনোমতেই যেন ট্রেনের যাত্রীদের খাবার সরবরাহ বন্ধ না হয়ে যায়। প্রত্যেক যাত্রীকে গরম খাবারই সরবরাহ করতে হবে। এবিষয়ে অগ্রিম পরিকল্পনা করে সেইমতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রক।
আমেরিকা, ইজরায়েল, ইরান যুদ্ধ আবহেই আইআরসিটিসির ‘বেস কিচেন’গুলোকে নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল রেলে। কারণ জ্বালানি সংকটে যদি ‘বেস কিচেন’ বন্ধ করে দিতে হয়, তাহলে ট্রেনের যাত্রীদের আর খাবার সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। ‘বেস কিচেন’গুলোতে তৈরি খাবারই পাঠানো হয় ট্রেনে। সংশ্লিষ্ট ট্রেনগুলির প্যান্ট্রি কারে সেগুলো গরম করে যাত্রীদের মধ্যে সরবরাহ করা হয়। এপ্রেক্ষিতে তাই দ্রুত এলপিজি সিলিন্ডারের স্টক সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ‘বেস কিচেন’এর সুপারভাইজারদের নির্দেশ দিয়েছে রেল।
তবে শুধুমাত্রই ‘বেস কিচেন’ নয়। একইসঙ্গে জানা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে আইআরসিটিসির যত জন-আহার কিংবা ফুড প্লাজা অথবা রিফ্রেশমেন্ট রুম আছে—তার প্রতিটিতেই খাবার সরবরাহ অবিচ্ছিন্ন রাখতে হবে। বুধবার রেলমন্ত্রকের এক মুখপাত্র ‘বর্তমান’কে জানিয়েছেন, সাধারণ রেল যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। ট্রেনে কিংবা স্টেশনে খাবার সরবরাহ বিঘ্নিত হবে না।



