জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলনের মাঝেই বিদেশ সফরে রাহুল, বিজেপি-কং তরজা
  • ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: অতীতের পুনরাবৃত্তি! এবার জ্ঞানেশ কুমার বিরোধী আন্দোলনের মাঝপথেই বিদেশ সফরে রাহুল গান্ধী। ‘ভোটচুরি’ ইস্যুতে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ শিবির যখন নির্বাচন কমিশন ও মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে রাহুলের চার দিনের ভিয়েতনাম সফর বিজেপির হাতে অস্ত্র তুলে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। ভিয়েতনামগামী বিমানে রাহুল গান্ধীর ছবি শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডলে বিজেপির প্রশ্ন, এইসব বিদেশ সফরের এজেন্ডা কী? শাসকদলের খোঁচা, অতীতের মতো এবারও ‘ক্লান্ত’ হয়ে দিল্লিতে প্রতিবাদ চলার মধ্যেই ‘ছুটি কাটাতে’ গিয়েছেন তিনি। বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র এবারও ‘জর্জ সোরোস’ তত্ত্ব সামনে এনেছেন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচিত সরকার উৎখাতের চক্রান্ত চলছে। ভারতকে কীভাবে ‘ধ্বংস’ করা যায়, তা নিয়ে জর্জ সোরোস ও তাঁর সংস্থার কাছে ‘কোচিং ক্লাস’ করতে বিদেশ গিয়েছেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু ভারতের জনতা তাঁদের সমর্থন করে না।

Advertisement

পালটা আসরে নেমেছে কংগ্রেসও। হাত শিবির নিশানা বানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে। কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেন, ‘অন্যরা কি বাইরে যান না? রাহুল গান্ধী বিরোধী দলনেতা। তাঁর বিভিন্ন দায়দায়িত্ব রয়েছে। বিগত সফরগুলিতে তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডনের পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতা করেছিলেন। সেখানের বিশিষ্টজনদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছিলেন। এমনকি তিনি সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকারও দেন— প্রধানমন্ত্রী যেটা কখনওই করেন না। তাই এই ইস্যুতে বিজেপির এত মাথাব্যথা কীসের?’ আর এর মধ্যেই এই ইস্যুতে প্রশ্নের জবাবে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের প্রতিক্রিয়া, ‘আমি ট্রাভেল এজেন্ট নই। আমাকে এবিষয়ে প্রশ্ন করার কোনো অর্থ হয় না। আমি কেন দিল্লি থেকে কেরলে এসেছি? প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট কিছু দায়দায়িত্ব থাকে। তাই এ নিয়ে মন্তব্য করতে পারি না।’