নাগোয়া: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনটি ম্যাচ। এশিয়ান গেমস থেকে বিদায়ের পর পরিকল্পনাহীন সূচি এবং চূড়ান্ত অব্যবস্থাকে দায়ী করলেন পিভি সিন্ধু। তাঁর অভিযোগ, রিকভারির সময়ই মেলেনি। পরপর ম্যাচ খেলতে হয়েছে। ফলে সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরা সম্ভব ছিল না। রবিবার মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে চীনের চেন উফেইয়ের কাছে ২১-১১, ১৮-২১, ১০-২১ গেমে হেরে বিদায় নিয়েছেন ওলিম্পিকসে জোড়া পদকজয়ী তারকা শাটলার। উল্লেখ্য, চলতি আসরের শুরু থেকেই অব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন অধিকাংশ খেলোয়াড়। সোনাজয়ী ভারতীয় কবাডি দল যেমন ফাইনালের আগের রাতে রাতের খাবারই পায়নি। তা সত্ত্বেও লক্ষ্যে অবিচল থেকেছেন সুনীল কুমার, সুমতি সাংওয়ানরা। কিন্তু সূচির ধকল সামলাতে পারলেন না হায়দরাবাদি শাটলার।
শনিবার সকালে রাউন্ড অব ৩২-র ম্যাচ জেতেন সিন্ধু। তারপর পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়াই রাতে ফের কোর্টে নামেন তিনি। জাপানের মিয়াজাকির বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচটি শেষ হয় রাত একটায়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সিন্ধুকে কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলতে হয় রবিবার সকালে। ফলে শারীরিকভাবে রীতিমতো বিধ্বস্ত ছিলেন তারকা শাটলার। এমন পরিস্থিতিতে সেরা ছন্দ মেলে ধরা সত্যিই অসম্ভব। তবু চেন উফেইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম গেমের দখল নিয়েছিলেন সিন্ধুই। কিন্তু খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্লান্তি গ্রাস করে তাঁকে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় গেম জিতে বাজিমাত চীনা খেলোয়াড়ের। ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ সিন্ধু বলেন, ‘সূচি যেভাবে তৈরি হয়েছে, তাতে ভালো খেলা সম্ভব নয়। আয়োজকদের কোনো সঠিক পরিকল্পনা নেই। শনিবার অনেক রাতে ঘুমিয়েছি। তারপর উঠতে হয়েছে ভোরবেলা। ফলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়নি শরীর। এমন অবস্থায় কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলতে হয়েছে। আমি সত্যিই হতাশ।’ প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছেন উন্নতি হুডাও। ম্যাচ শেষে তিনিও কাঠগড়ায় তুলেছেন সূচিকে। তাঁর মন্তব্য, ‘এশিয়ান গেমসের মতো আসরে এমন জঘন্য ক্রীড়াসূচি ভাবাই যায় না।’