Bartaman Logo
৭ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শূন্যপদের সংখ্যা ছাড়াই পিএসসি ক্লার্কশিপ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সরকারি ক্ষেত্রে এক লক্ষ নিয়োগ হবে বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর তারপরই রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) ২০২৪-এর ‘ক্লার্কশিপ’ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি করল।

শূন্যপদের সংখ্যা ছাড়াই পিএসসি ক্লার্কশিপ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
  • ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি ক্ষেত্রে এক লক্ষ নিয়োগ হবে বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর তারপরই রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) ২০২৪-এর ‘ক্লার্কশিপ’ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি করল। রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর এই প্রথম কোনো বড়ো নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি হল। ডিসেম্বর মাসে প্রিলিমিনারি (পার্ট ওয়ান) পরীক্ষা হবে। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিরা অন্তত মাধ্যমিক পাশ হলে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। কত সংখ্যক শূন্যপদে নিয়োগ হবে, সে ব্যাপারে পিএসসি নির্দিষ্টভাবে কিছু জানায়নি। এই সংখ্যা পরে ঘোষণা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্লার্কশিপ পরীক্ষার মাধ্যমে সচিবালয়, ডিরেক্টরেট থেকে আঞ্চলিক স্তর পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি অফিসে ‘লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট’ (এলডিএ) পদে নিয়োগ হয়। সাধারণত একসঙ্গে  কয়েক হাজার নিয়োগ হয়।  কয়েক লক্ষ  কর্মপ্রার্থী এই পরীক্ষায় বসেন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ২০২৩-এর ক্লার্কশিপ পার্ট-১ পরীক্ষা হয়েছিল। ওই পরীক্ষায় যোগ্যতা অর্জনকারীরা ২০২৫-এর ডিসেম্বর মাসে পার্ট-২ পরীক্ষা দিয়েছেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ৮ হাজার নিয়োগের সম্ভাবনা আছে।

Advertisement

রাজ্য বাজেটে সরকারি ক্ষেত্রে নিয়োগে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের ঘোষণা করা হলেও সেই ব্যবস্থার কথা এবারের ক্লার্কশিপ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। এসসি, এসটি, ওবিসি, ইডব্লুএস প্রভৃতিদের  জন্য নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষণ থাকবে। তবে ভিন রাজ্যের সংরক্ষণের আওতায় থাকা পরীক্ষার্থীরা সাধারণ প্রার্থী হিসাবে বিবেচিত হবেন। পার্ট ১-এ মাল্টিপল চয়েসের ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় যোগ্যতা অর্জনকারীরা পার্ট ২ পরীক্ষা দিতে পারবেন। সেখানে ইংরেজি এবং বাংলা-নেপালি-হিন্দি-উর্দু-সাঁওতালির মধ্যে যে কোনো একটি ভাষায় মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। পার্ট ১ এবং ২ পরীক্ষায় সাধারণ প্রার্থীদের ৪০ শতাংশ পেতেই হবে। সংরক্ষিতদের জন্য নম্বরের শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সংরক্ষিত আসন পূরণের জন্য এই যোগ্যতা নির্ণায়ক নম্বরের পরিবর্তন করা যেতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাংলা-নেপালি ছাড়া অন্য ভাষাতে যাঁরা পরীক্ষা দেবেন, তাঁদের বাংলার যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। তবেই চাকরি স্থায়ী হবে। পার্ট ২ পরীক্ষায় সফল হলে কম্পিউটারে  টাইপ করার পরীক্ষা দিতে হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ