নয়াদিল্লি: আমিষ না নিরামিষ! উৎসবের মরশুমে পাতে কোন পদ পড়বে, তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এরইমধ্যে বাড়িতে তৈরি ভেজ ও নন ভেজ থালির দাম নিয়ে নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে সমীক্ষক সংস্থা ক্রিসিল ইন্টেলিজেন্স। তারা জানিয়েছে, মূল্যবৃদ্ধির বাজারে পাতে নিরামিষ পদ পেতে দিতে হবে অতিরিক্ত টাকা। কারণ? পেঁয়াজ, ভোজ্য তেল, চাল ও এলপিজির মতো নানা সামগ্রীর বাড়তি দাম।
সমীক্ষক সংস্থা আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে বাড়িতে তৈরি ভেজ থালিতে খরচ বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। অর্থাৎ মহার্ঘ হয়েছে নিরামিষ খাবারদাবার। অন্যদিকে, আমিষ থালিতে দামবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ। এব্যাপারে রোটি রাইস রেট (আরআরআর)-এর মাসিক রিপোর্টের উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে তারা জানিয়েছে, এক বছর আগে সেপ্টেম্বর মাসে বাড়িতে তৈরি ভেজ থালির জন্য খরচ পড়ত ২৮ টাকা ১০ পয়সা। ২০২৬ সালের একই মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৮০ পয়সায়। পাশাপাশি, আমিষ থালির দাম ৫৬ টাকা থেকে বেড়ে ৫৬ টাকা ৫০ পয়সা হয়েছে।
মাসে কতটা বাড়ছে ভেজ থালির খরচ? পরিসংখ্যান বলছে, সেপ্টেম্বরে এই বৃদ্ধির হার ছিল ৪ শতাংশ। এর বড়ো কারণ পেঁয়াজের দাম। এক বছরের ব্যবধানে সেপ্টেম্বর মাসে কেজি প্রতি দাম ২৮ থেকে বেড়ে ৫৩ টাকা হয়েছে। বৃদ্ধির হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। পাল্লা দিচ্ছে চাল ও ভোজ্য তেল। এই পর্বে চালের দাম বেড়েছে ৮ শতাংশ। তেল ১২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এলজিপিও ১০ শতাংশ মহার্ঘ। বেড়েছে অন্যান্য আনাজপাতি ও ডাল-শষ্যের দামও। যার জেরে সার্বিকভাবে ঘরে তৈরি নিরামিষ থালির দাম বেশ কিছুটা বেড়েছে।