সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: চুঁচুড়ায় পণের দাবিতে অত্যাচারে আত্মঘাতী হয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ। এই ঘটনায় স্বামী, শাশুড়ির ১০ বছরের সাজা ঘোষণা করল চুঁচুড়া আদালত।
সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: চুঁচুড়ায় পণের দাবিতে অত্যাচারে আত্মঘাতী হয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ। এই ঘটনায় স্বামী, শাশুড়ির ১০ বছরের সাজা ঘোষণা করল চুঁচুড়া আদালত।
সরকারি আইনজীবী শিবাজি দাস জানান, মৃতার স্বামী রঞ্জিত সাহা ও শ্বাশুড়ি অর্চনা সাহাকে বধূ নির্যাতন, আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার চুঁচুড়া আদালতের তৃতীয় দায়রা বিচারক কৌস্তুভ মুখোপাধ্যায় দোষী সাব্যস্ত করেন। বুধবার তাদের সাজা ঘোষণা হয়। ২০২২ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত অশ্বিনীপল্লির বাসিন্দা রিম্পা কর্মকারের (২৫) সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল চুঁচুড়া রবীন্দ্রনগর কালীতলার বাসিন্দা রঞ্জিত সাহার। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে অত্যাচার চলত। মৃতার বাবা শৈলেন কর্মকার জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে রাতে খবর পেয়ে চুঁচুড়ায় আসি। হাসপাতালে মেয়েকে ফেলে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোক পালিয়েছিল। পরদিন চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ করি। বিয়ের সময় সাধ্যমতো গয়না, খাট, বিছানা, কিছু টাকা দিয়েছিলাম। বিয়ের দশ দিন পর বাড়ি ফেরে মেয়ে। তার উপর অত্যাচারের কথা জানায়। খেতে দিত না। মারধর করত। চার লাখ টাকা চেয়েছিল। রংয়ের কাজ করে সেই টাকা দেওয়া সম্ভব ছিল না। ফলে অত্যাচার বাড়তে থাকে। মেয়ে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আত্মহত্যা করে।