


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডাকঘর থেকে যেসব গ্রাহক স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প কেনেন, তাঁদের অনেকেই ম্যাচুরিটি বা মেয়াদ শেষের পরও সেই টাকা তোলেন না। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিনবছর পরও প্রকল্পগুলির টাকা তোলেননি গ্রাহক। আর্থিক সুরক্ষার স্বার্থেই তিনবছর পর সেই অ্যাকাউন্টগুলি ‘ফ্রিজ’ বা নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে। বছরে দু’বার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কাজটি এবার থেকে করা হবে, জানিয়েছে ডাকবিভাগ।
দপ্তরের কর্তারা বলছেন, বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, গ্রাহক মেয়াদ শেষে মান্থলি ইনকাম স্কিম, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম, ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট, রেকারিং ডিপোজিট, টার্ম ডিপোজিট, কিষান বিকাশপত্র এবং পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডের (পিপিএফ) টাকা তোলেন না। সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টগুলি ‘মিউট’ করা থাকে, কিন্তু নিষ্ক্রিয় থাকে না। প্রকল্পের টাকা সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত রাখতে ‘ফ্রিজ’ করা দরকার। সেই কাজটিই তিনবছর অন্তর করা হবে। এর জন্য বছরে দু’বার হিসেব কষা হবে, কোন কোন অ্যাকাউন্ট মেয়াদ অন্তেও তিনবছর পেরিয়ে গিয়েছে এবং গ্রাহক সেই টাকা তোলেননি। প্রতিবছর ১ জানুয়ারি এবং ১ জুলাই থেকে ওই হিসেব কষা হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর এবং ৩০ জুন পর্যন্ত সময়সীমা ধরেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দপ্তরের কর্তারা জানিয়েছেন, কেওয়াইসি ও প্রয়োজনীয় নথি জমা করে গ্রাহক তাঁর ফ্রিজ হয়ে থাকা প্রকল্পের টাকা তুলতে পারবেন।