নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পালাবদলের পর চার মাসের বেশি সময় পার। রাজ্যজুড়ে বিধায়ক তহবিলের টাকায় এলাকা উন্নয়নের কাজ শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ। এখাতে প্রথম কিস্তির টাকা ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় এসে গিয়েছে। এবারে ই বিয়াপ নামে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে প্রকল্পের টেন্ডার ডাকা থেকে বরাত দেওয়া, খরচের হিসাব, কাজের অগ্রগতি প্রভৃতি হবে। তাই যতক্ষণ না পোর্টালটি চালু হচ্ছে, ততক্ষণ কিছু হবে না। সেজন্য অবশ্য হাত গুটিয়ে বসে নেই সরকার। সম্প্রতি বিধায়কদের সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের কাছে তাদের এলাকায় কী কী কাজ করা হবে, সেই সংক্রান্ত স্কিম তৈরি করে জমা দিতে বলা হয়েছিল।
প্রশাসনকে সেসব যাচাই করে টেন্ডারের আগের ধাপ পর্যন্ত প্রস্তুত করে রাখার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। এক আধিকারিকের কথায়, সেই স্কিমগুলি পরীক্ষা করে তার কত খরচ হতে পারে, প্রভৃতি দেখে তৈরি করে রাখা হচ্ছে। পোর্টাল চালু হলেই তার মাধ্যমে টেন্ডার ডাকা হবে। যতটা সম্ভব কাজ এগিয়ে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবেই এই নয়া পোর্টালের সূচনা হবে বলে সূত্রের খবর। বিজেপি সরকার চাইছে, এমএলএ ফান্ডের টাকা খরচে কোনো অস্বচ্ছতা যেন না থাকে। তাই এই নয়া পোর্টাল চালু করছে তারা।এদিকে বিধায়কদের অনেকে এখন পরিকল্পনা তৈরি করতে ব্যস্ত। কেউ কেউ স্কিম জমা দিতে শুরু করেছেন। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায় বলেন, কী কী কাজ করা হবে, তার পরিকল্পনা তৈরি চলছে। টাকা খরচের আগে পরিকল্পনাটা অত্যন্ত জরুরি, সেটাই করা হচ্ছে। সুন্দরবনের বাসন্তীর তৃণমূল কংগ্রেস (ঋতব্রতপন্থী) বিধায়ক তথা জেলা সভাধিপতি নীলিমা মিস্ত্রি বিশাল বলেন, এখনো স্কিম জমা দেওয়া শুরু করিনি।