নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজধানীতে পুজোয় বিসর্জন সংক্রান্ত নিয়ম ভাঙলেই দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। উদ্যোক্তাদের এমনই জানিয়েছে দিল্লি দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি (ডিপিসিসি)। এব্যাপারে পদক্ষেপ করার জন্য ইতিমধ্যেই দিল্লির জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশও পাঠানো হয়েছে।
দিল্লি দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি জানিয়েছে, যমুনা নদী বা অন্য কোনো জলাশয়ে বিসর্জন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৈরি করে দেওয়া কৃত্রিম পুকুরেই বিসর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে পুজো উদ্যোক্তাদের। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার সঙ্গে এখনও বৈঠকের সময়ই পাননি পুজো আয়োজকরা। অথচ পুজোর আর এক মাসও বাকি নেই। ফলে চিন্তায় পুজো উদ্যোক্তারা। তবে চলতি সপ্তাহে আয়োজকদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী একটি বৈঠক করতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। যদিও তা এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।
প্রসঙ্গত, গত বেশ কয়েক বছর ধরে যমুনা নদীতে বিসর্জন বন্ধ করেছে সরকার এবং প্রশাসন। পরিবর্তে কৃত্রিম পুকুরের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। কিন্তু তা নিয়ে পুজো আয়োজকদের অভিযোগ রয়েছে। জানা যাচ্ছে, কৃত্রিম পুকুরগুলিতে পর্যাপ্ত জল সরবরাহের দাবিতে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে আয়োজকদের একটি বড়ো অংশ। তাদের অভিযোগ, প্রতিবার দু’য়েকটি প্রতিমা বিসর্জনের পরই কৃত্রিম পুকুরগুলিতে জল ফুরিয়ে যায়। কিন্তু পঞ্জিকা মেনে শাস্ত্রমতো প্রতিমা বিসর্জন করতে হলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শেষ করা প্রয়োজন। এবছর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সেই হয়রানির ছবি পেশ করতে মরিয়া হয়েছে পুজো কমিটিগুলি। দিল্লির পুজো আয়োজকদের অন্যতম মৃণালকান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম সহ-সভাপতি হিসাবে আমি দু’টো চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছিলাম। শুনতে পাচ্ছি, এসপ্তাহে বৈঠক হতে পারে। তবে কিছুই নিশ্চিত নয়।’