Bartaman Logo
১ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জুয়া-সাট্টা ও মদের ঠেক রুখতে বাসিন্দাদের কাছে তথ্য চাইল থানা, আইসির ফোন নম্বর দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাষায় ঘোষণা করেছেন, কোথাও জুয়া, সাট্টা ও মদের ঠেক চলতে দেওয়া হবে না

জুয়া-সাট্টা ও মদের ঠেক রুখতে বাসিন্দাদের কাছে তথ্য চাইল থানা, আইসির ফোন নম্বর দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট
  • ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাষায় ঘোষণা করেছেন, কোথাও জুয়া, সাট্টা ও মদের ঠেক চলতে দেওয়া হবে না। কিন্তু এখনও সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন দেখেনি উত্তর শহরতলি। বহু জায়গায় এখনও রাস্তায় বসে প্রকাশ্যেই সাট্টার প্যাড লেখা হচ্ছে। কোথাও আবার পুলিশি কড়াকড়ি থাকায় মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে সাট্টার কারবার চালানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিমতা থানা বেআইনি কার্যকলাপ রুখতে মদ, জুয়া ও সাট্টার ঠেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় থানার আইসি’র নম্বর দিয়ে এলাকায় সমস্ত অনৈতিক কাজের তথ্য পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর নাম ও ফোন নম্বর গোপন রাখার কথা বলা হয়েছে। মুহূর্তে ওই পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। 

Advertisement

বুধবার বিকালে নিমতা থানার তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। তাতে বলা হয়, ‘নিমতা থানা এলাকার কোথাও বেআইনি কার্যকলাপ, মদ, জুয়া, সাট্টার ঠেক চলছে বলে জানতে পারলে আইসি’কে হোয়াটসঅ্যাপ (৯১৪৭৮৮৯৫৪৩) করে জানান। আপনার পরিচয় ও মোবাইল নম্বর সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।’ এই পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। শুধু নিমতার বাসিন্দারা নয়, শহরতলির বহু মানুষ তাতে মন্তব্য করেছেন। ঘণ্টা খানেকের মধ্যে হাজারের বেশি লাইক পড়েছে, দেড়শোর বেশি মানুষ শেয়ার করেছেন। কমেন্টে থানার উদ্যোগকে যেমন সাধুবাদ জানানো হয়েছে, তেমনই নিমতা স্টেশন সহ বহু জায়গায় সাট্টার ঠেকের কথা বলা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এখন সাট্টার কারবারিরা অনলাইনে অর্ডার নিচ্ছে। প্যাড মাস্টার নির্দিষ্ট ঠেকে না বসে নিজের বাড়ি বা অফিস থেকেই কারবার চালাচ্ছে। মোবাইলের মাধ্যমে অর্ডার ও টাকা এলেই শুরু হচ্ছে খেলা। বহু জায়গায় ঘুরে ঘুরে সাইকেলে করে মদ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কোথাও আবার গাঁজা বিক্রির কথাও বলা হয়েছে।
কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, থানার আইসি রাহুলদেব মণ্ডলের নেতৃত্বে গাঁজা, জুয়া, সাট্টা ও বেআইনি মদের ঠেকের বিরুদ্ধে অভিযান তীব্র করা হয়েছে। চলতি মাসে ১৩০ লিটারের বেশি দেশি ও বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। সাট্টার ঠেকে হানা দিয়ে ১৬ জনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি প্রায় ৮০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তারপরও বহু জায়গায় চোরাগোপ্তা এই কারবার চলছে। তাই সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে ফোন নম্বর দিয়ে বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ