ভোট পরবর্তী অশান্তি রুখতে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ রুটমার্চ শুরু
  • ৩ মে, ২০২৬ ০৯:০৫
Prefer us on Google

অলকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: মূল লক্ষ্য ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। তার জন্য কমিশনের গাইডলাইন মেনে আগাম তৎপরতা নিয়েছিল বিধাননগর কমিশনারেট। ২৯ এপ্রিল শান্তিতেই মেটে ভোটপর্ব। সল্টলেক থেকে নিউটাউন, রাজারহাট থেকে বাগুইআটি, কোথাও কোনো গণ্ডগোল হয়নি। ভোট পরবর্তী অশান্তি রুখতে আগাম যৌথ রুট মার্চ শুরু করেছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুধবার ভোট মেটার পর বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয়ে যায় রুট মার্চ। প্রতিটি থানা এলাকায় তা চলছে। কমিশনারেটের দাবি, এলাকার শান্তি যাতে বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

হিংসা, ভীতি প্রদর্শন, ছাপ্পা, বুথ দখল রুখতে নির্বাচন কমিশন ছ’টি গাইডলাইন কার্যকর করার জন্য ভোটের আগেই সব থানাকে নির্দেশ দিয়েছিল। তারপর তৎপরতা শুরু হয়। ২০২১ সালে যে সব অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত অশান্তি হয়েছিল, সেইসব এলাকা পুলিশ ও বাহিনী পরিদর্শন করে ভোটের আগে। সরাসরি ভোটারদের মুখ থেকে শোনা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কেউ ভয়ে রয়েছেন কি না। প্রায় সকলেই দাবি করেছিলেন, অশান্তি নেই। ভোটে তার প্রতিফলনও হয়। বিধাননগর কমিশনারেটের মধ্যে বিধাননগর, রাজারহাট-গোপালপুর এবং রাজারহাট-নিউটাউন এই তিনটি কেন্দ্র রয়েছে। বুধবার তিনটিতেই নির্বিঘ্নে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। ৩ কেন্দ্রে প্রার্থী সংখ্যা ৩৫ জন। ভোটার ৬ লক্ষ ৯০ হাজার ৪১২ জন। কিন্তু কোনো অশান্তির খবর আসেনি। ভোটের দিন শান্তি বজায় রাখতে কমিশনারেটের বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে ৮৫ জনকে প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট করা হয়েছে।