Bartaman Logo
১৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মমতা-তৃণমূলকে সভার অনুমতি বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলকে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামে সভার অনুমতি দিল হাইকোর্ট। ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন।

মমতা-তৃণমূলকে সভার অনুমতি বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে
  • ১৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল ২১ জুলাইয়ের ‘শহিদ তর্পণ’ কর্মসূচি করতে পারবে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে। স্থান নির্দিষ্ট করে দিয়ে বুধবার শর্তসাপেক্ষে কর্মসূচি করার অনুমতি দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, অনধিক তিন হাজার লোক নিয়ে ওই কর্মসূচি পালন করা যাবে। বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে এক দিকের রাস্তা ব্যবহার করে কর্মসূচি করতে পারবে তারা। অন্য দিকের রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করবে। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টে পর্যন্ত ওই কর্মসূচি করা যাবে। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপির রাজ্য সরকার আমাদের অনুমতি দেয়নি। হাইকোর্ট অনুমতি দিয়েছে। আদালতের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। তবে পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, ডেকোরেটরদের বা ইলেকট্রিশিয়ানদের যেন বাধা দেওয়া না হয়। আর কর্মীদের যেন অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া না হয়।’

Advertisement

তবে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের কাছে ৫০০ জনের বেশি জমায়েত হলে সমস্যা হবে বলে আপত্তি জানায় রাজ্য। তাদের যুক্তি, সেখানে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল রয়েছে। ২০০০ লোক হলে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার, ১০ হাজারের বেশি লোক হলে ব্রিগেডে সভা করতে হবে। তখন কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে প্রতি বছর এই কর্মসূচি করা হয়। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে এই কর্মসূচি করতে চান না তাঁরা। নবান্নের সামনে এই কর্মসূচিতেও অসুবিধা নেই তাঁদের। এরপরই তাঁর অভিযোগ, ‘আসলে কর্মসূচির অনুমতি দিতে চাইছে না রাজ্য।’ যদিও শুনানি শেষে আদালত জানায়, কালীঘাট তৃণমূলকে ১৮ জুলাই বিকাল ৪টের মধ্যে ২০ জন স্বেচ্ছাসেবকের নাম পুলিশের কাছে জমা দিতে হবে। অন্য দিকের রাস্তা দিয়ে যান চলাচল নিশ্চিত করবেন ওই স্বেচ্ছাসেবকরা। উল্লেখ্য, কালীঘাট তৃণমূলের হয়ে মামলাটি করেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। 
তবে মমতার কর্মসূচিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি ও তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘যেদিন মঞ্চে পাগলু ড্যান্স হয়েছিল, সেদিনই ২১ জুলাইয়ের শেষ হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। উনি বিশ্রাম নিন।’ বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মেয়ো রোডে আমাদের সমাবেশে কোনো নাচ-গানের মঞ্চ হবে না। সেলিব্রিটিরা থাকবেন না। থাকবেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা।’
এদিকে, এনসিপিআই দলের নেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদার বলেন, ‘আমরাও শহিদ দিবস পালন করব। সময়মতো জানিয়ে দেব কোথায় কর্মসূচি হবে।’ শহিদ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে ট্যাবলো উদ্বোধন করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তারা ওই দিন শহিদ মিনারে সভা করবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ