নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বিধায়ক হয়েছেন প্রায় পাঁচ মাস। কিন্তু অশোকনগর বিধানসভায় এখনও নেই বিধায়কের নিজস্ব কার্যালয়। বিজেপির বিধায়ক সুময় হীরা আপাতত নিজের নার্সিংহোমের একটি তলায় অস্থায়ী ভাবে বিধায়ক কার্যালয়ের কাজ চালাচ্ছেন। অথচ বিজেপির সাংগঠনিক নির্দেশ অনুযায়ী, দলের বিধায়কদের নিজেদের এলাকায় নিয়মিত বসার জন্য তৈরি করার কথা ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কার্যালয়’। অশোকনগরে সেই কার্যালয় এখনও তৈরি না হওয়ায় দলের অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছে।
বিধায়ক কার্যালয় সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম জায়গা। বর্তমানে বিধায়কের নার্সিংহোমের একটি তলায় অস্থায়ীভাবে কিছু কাজ চলছে। সেখানেই বিধায়কের সঙ্গে দেখা করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কিন্তু নার্সিংহোমে গিয়ে বিধায়কের কাছে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে অনেকেই স্বচ্ছন্দ নন। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, চিকিৎসার জন্য তৈরি নার্সিংহোমের সঙ্গে বিধায়ক কার্যালয়ের কাজকে কেন মেলানো হবে? বিধায়কের কার্যালয় না থাকায় অস্বস্তিতে দলের কর্মীরাও। বিজেপির একাংশের দাবি, দলীয় বৈঠক বা কর্মসূচি করার জন্যও নির্দিষ্ট জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। কখনও নার্সিংহোম, কখনও অন্য কোনো জায়গায় কর্মসূচি করতে হচ্ছে। তাতে দলের সাংগঠনিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলের নির্দেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিজেপির বিধায়কদের নিয়মিত নিজেদের ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কার্যালয়ে’ সময় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। অথচ অশোকনগরে এখনও সেই কার্যালয়ের দেখা নেই। ফলে দলের নির্দেশ কার্যত মানা হচ্ছে না কি না, তা নিয়ে দলেরই একাংশে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে নার্সিংহোমে দলীয় কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনাও ঘটেছে। কয়েকদিন আগে সেখানে একটি দলীয় কর্মসূচি নিয়ে গেলে বিজেপি নেত্রী রিংকি সুরের সঙ্গে বিধায়কের বচসা বাধে বলে দলীয় সূত্রের দাবি। দলের কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, দলীয় কাজের জন্য নির্দিষ্ট কার্যালয় থাকলে এমন পরিস্থিতি এড়ানো যেত।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, অন্য বিধানসভা এলাকায় বিধায়কদের নিজস্ব কার্যালয় রয়েছে। সেখানে গিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের সমস্যার কথা জানাতে পারেন। অশোকনগরে সেই সুযোগ এখনও তৈরি হয়নি। এনিয়ে সুময় হীরার বক্তব্য, নার্সিংহোমের একটি তলায় আপাতত অস্থায়ী ভাবে মানুষের বিভিন্ন কাজ করা হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী বিধায়ক কার্যালয় তৈরি করা হবে।নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বিধায়ক হয়েছেন প্রায় পাঁচ মাস। কিন্তু অশোকনগর বিধানসভায় এখনও নেই বিধায়কের নিজস্ব কার্যালয়। বিজেপির বিধায়ক সুময় হীরা আপাতত নিজের নার্সিংহোমের একটি তলায় অস্থায়ী ভাবে বিধায়ক কার্যালয়ের কাজ চালাচ্ছেন। অথচ বিজেপির সাংগঠনিক নির্দেশ অনুযায়ী, দলের বিধায়কদের নিজেদের এলাকায় নিয়মিত বসার জন্য তৈরি করার কথা ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কার্যালয়’। অশোকনগরে সেই কার্যালয় এখনও তৈরি না হওয়ায় দলের অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছে।
বিধায়ক কার্যালয় সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম জায়গা। বর্তমানে বিধায়কের নার্সিংহোমের একটি তলায় অস্থায়ীভাবে কিছু কাজ চলছে। সেখানেই বিধায়কের সঙ্গে দেখা করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কিন্তু নার্সিংহোমে গিয়ে বিধায়কের কাছে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে অনেকেই স্বচ্ছন্দ নন। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, চিকিৎসার জন্য তৈরি নার্সিংহোমের সঙ্গে বিধায়ক কার্যালয়ের কাজকে কেন মেলানো হবে? বিধায়কের কার্যালয় না থাকায় অস্বস্তিতে দলের কর্মীরাও। বিজেপির একাংশের দাবি, দলীয় বৈঠক বা কর্মসূচি করার জন্যও নির্দিষ্ট জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। কখনও নার্সিংহোম, কখনও অন্য কোনো জায়গায় কর্মসূচি করতে হচ্ছে। তাতে দলের সাংগঠনিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলের নির্দেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিজেপির বিধায়কদের নিয়মিত নিজেদের ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কার্যালয়ে’ সময় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। অথচ অশোকনগরে এখনও সেই কার্যালয়ের দেখা নেই। ফলে দলের নির্দেশ কার্যত মানা হচ্ছে না কি না, তা নিয়ে দলেরই একাংশে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে নার্সিংহোমে দলীয় কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনাও ঘটেছে। কয়েকদিন আগে সেখানে একটি দলীয় কর্মসূচি নিয়ে গেলে বিজেপি নেত্রী রিংকি সুরের সঙ্গে বিধায়কের বচসা বাধে বলে দলীয় সূত্রের দাবি। দলের কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, দলীয় কাজের জন্য নির্দিষ্ট কার্যালয় থাকলে এমন পরিস্থিতি এড়ানো যেত।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, অন্য বিধানসভা এলাকায় বিধায়কদের নিজস্ব কার্যালয় রয়েছে। সেখানে গিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের সমস্যার কথা জানাতে পারেন। অশোকনগরে সেই সুযোগ এখনও তৈরি হয়নি। এনিয়ে সুময় হীরার বক্তব্য, নার্সিংহোমের একটি তলায় আপাতত অস্থায়ী ভাবে মানুষের বিভিন্ন কাজ করা হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী বিধায়ক কার্যালয় তৈরি করা হবে।



