Bartaman Logo
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চাকরির আবেদন নিয়ে ‘জনতার দরবার’-এ প্যারা এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী

প্যারা এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী সোমনাথ মালো জনতার দরবারে এলেন চাকরির আবেদন নিয়ে। ২০০২ সালে হাই জাম্পে সোনা পেয়েছিলেন তিনি।

চাকরির আবেদন নিয়ে ‘জনতার দরবার’-এ প্যারা এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী
  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্যারা এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী সোমনাথ মালো জনতার দরবারে এলেন চাকরির আবেদন নিয়ে। ২০০২ সালে হাই জাম্পে সোনা পেয়েছিলেন তিনি। তারপর সরকারি চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু যে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি খারিজ হয়ে গিয়েছে আদালতের নির্দেশে, শিক্ষাকর্মী হিসাবে তাঁদের একজন হওয়ায় সোমনাথবাবুরও চাকরি যায়। বুধবার সল্টলেকে বিজেপি অফিসে এসেছিলেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সুরাহা চাইতে। নতুন চাকরির আবেদন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে।

Advertisement

এদিন সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে আরও হাই প্রোফাইল আবেদনকারীকে দেখা গিয়েছে। জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী পূর্ণদাস বাউল এসেছিলেন তাঁর একটি দখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধারের আবেদন নিয়ে। প্রবীণ পূর্ণদাস হুইল চেয়ারে আসেন। সঙ্গে এসেছিলেন তাঁর পুত্র। এছাড়াও অন্যান্য দিনের মতো বহু আবেদনকারী জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছিলেন বিভিন্ন আর্জি নিয়ে। তাঁদের অন্যতম অর্ধেন্দু সিংহ। বীরভূমের শিউড়ির বাসিন্দা অর্ধেন্দুবাবুর কন্যা অমৃতা সিংহ অবসাদে ভুগছিলেন। মার্চ মাসের এক দুপুরে মা যখন পুজো করছিলেন তখন দরজায় ছিটকিনি আটকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তারপর থেকে নিখোঁজ। তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজেছে সিংহ দম্পতি। কোনোভাবে না পেয়ে এবার জনতার দরবারে এলেন মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইতে। অর্ধেন্দুবাবু বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।’
তবে এদিন সকলের দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছিলেন পূর্ণদাস বাউল। বীরভূমে তাঁদের একটি জমি দখল করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। পূর্ণদাসের ছেলে দিব্যেন্দু দাসের অভিযোগ, দখলের নেপথ্যে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের হাত আছে হলে অনুমান। বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো সত্ত্বেও কোনো সুরাহা হয়নি। রাজ্যে নয়া সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছেন সমস্যার সুরাহার আশা নিয়ে। আর নজর ছিল নদীয়ার তাহেরপুরের বাসিন্দা এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী প্রতিবন্ধী সোমনাথ মালোর দিকে। তিনি জানান, আদালতে নির্দেশে আপাতত মে মাস পর্যন্ত তিনি বেতন পাবেন। কিন্তু তারপর জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নতুন চাকরির আবদেন নিয়ে এসেছেন। আশা করছেন তাঁর আবেদন সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখবেন শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ