পাপ্পা গুহ, উলুবেড়িয়া: উমা আসছে। চারদিকে এখন সাজ সাজ রব। তবে শুধু বাংলায় নয়, এখান থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে ইউরোপের লাক্সেমবার্গের অধিকারী বাড়িতেও এখন চরম ব্যস্ততা। কারণ উমাকে বরণ করতে হবে। অধিকারী বাড়ির এই পুজোয় লাক্সেমবার্গের বাঙালিরা তো বটেই, ভারতীয়রাও ভিড় জমান। পুজোর চারদিন পঞ্জিকা মতে মাতৃ আরাধনায় মেতে ওঠেন অধিকারী দম্পতি।বছর পাঁচ আগে এই পুজো শুরু করেছিলেন নীলাঞ্জনা অধিকারী ও ধৃতিসুন্দর অধিকারী। উলুবেড়িয়ার ময়রাপাড়ার বাসিন্দা সঞ্জীব চন্দ্রের হাতে তৈরি ফাইবারের দুর্গা পৌঁছে গিয়েছিল লাক্সেমবার্গে। এরপর গত কয়েক বছরের মত এই বছরেও পুজো করতে আজ বুধবার লাক্সেমবার্গ উড়ে যাবেন উলুবেড়িয়া শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ির অন্যতম পুরোহিত শুভাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সঙ্গে নিয়ে যবেন ছোট দুর্গা মূর্তি ও পদ্মফুল সহ অন্যান্য জিনিস। পুজোর জন্য কলকাতা থকে আগেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে দশকর্মার জিনিসপত্র। প্যারিস থেকে আনা হচ্ছে পুজোর মিষ্টি।নীলাঞ্জনা অধিকারী আদপে কলকাতার হরিদেবপুরের বাসিন্দা। বছর সাত তিনি লাক্সেমবার্গে গিয়েছেন। এরপর গত পাঁচ বছর তিনি ধূমধাম করে পুজো করছেন। পুজোর কয়েকটা দিন পুজোর জোগাড় করা থেকে মায়ের ভোগ রান্না করা– সবটাই নিজের হাতে করেন নীলাঞ্জনাদেবী।



