ওয়াশিংটন, ২৪ জানুয়ারি: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রের নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করল আমেরিকার আদালত। গতকাল, বৃহস্পতিবার সিয়াটেলের এক বিচারক ট্রম্পের এই সংক্রান্ত নির্দেশিকাকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, আমেরিকার বিভিন্ন আদালতে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
Advertisement
গত ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ নিয়েছেন ট্রাম্প। এরপরই তিনি আমেরিকায় ‘অবৈধ অভিবাসী’ সমস্যাকে খুঁচিয়ে তুলেছেন। আগেরবার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ‘অবৈধ অভিবাসী’ নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। এবারও যে একই পথে হাঁটতে চলেছেন তিনি, তা শপথ গ্রহণের পরেই তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, আমেরিকার মাটিতে জন্ম হলেই এখন থেকে আর মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে না। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিক নন, এমন কোনও দম্পতির সন্তানও আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করলে, আইনত মার্কিন নাগরিক হওয়ার অধিকারী। ১৮৬৮ সাল থেকে এই আইন চলে আসছে। সেই আইনই পাল্টাতে চাইছেন ট্রাম্প। এখন থেকে কোনও শিশুর আমেরিকার নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য দম্পতির অন্তত একজনকে মার্কিন নাগরিক বা গ্রিন কার্ড হোল্ডার অথবা মার্কিন সেনার সদস্য হতে হবে। ট্রাম্প এই সংক্রান্ত এগজিকিউটিভ অর্ডারেও সই করে দিয়েছেন। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নির্দেশ কার্যকরের কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প।
গতকাল, বৃহস্পতিবার সিয়াটেলের বিচারক জন কাফেনর ট্রাম্পের এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি শুনছিলেন। তখনই তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তকে ‘স্পষ্টত অসাংবিধানিক’ বলে উল্লেখ করেন। এরপর তিনি ওই নির্দেশিকায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
উল্লেখ্য, এই নিয়ম কার্যকর হলে, ভারতীয় অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ২০২৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, এখন মার্কিন মুলুকে ৫৪ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত বসবাস করেন। এর মধ্যে ৩৪ শতাংশেরই জন্ম আমেরিকায়। নতুন নিয়মে যে সব ভারতীয় অস্থায়ী ভিসায় আমেরিকায় কাজ করেন বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার অপেক্ষা করছেন, তাঁদের সন্তানরা আর মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এই ঘোষণার পরেই বেআইনিভাবে আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে দিল্লি। এখনও পর্যন্ত ১৮ হাজার এমন ভারতীয়ের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের প্রশাসন একযোগে অবৈধভাবে বসবাসকারী ভারতীয়দের তালিকা তৈরি করেছে। ট্রাম্পের আমলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত রাখার জন্যই দিল্লির এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
গতকাল, বৃহস্পতিবার সিয়াটেলের বিচারক জন কাফেনর ট্রাম্পের এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি শুনছিলেন। তখনই তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তকে ‘স্পষ্টত অসাংবিধানিক’ বলে উল্লেখ করেন। এরপর তিনি ওই নির্দেশিকায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
উল্লেখ্য, এই নিয়ম কার্যকর হলে, ভারতীয় অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ২০২৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, এখন মার্কিন মুলুকে ৫৪ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত বসবাস করেন। এর মধ্যে ৩৪ শতাংশেরই জন্ম আমেরিকায়। নতুন নিয়মে যে সব ভারতীয় অস্থায়ী ভিসায় আমেরিকায় কাজ করেন বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার অপেক্ষা করছেন, তাঁদের সন্তানরা আর মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এই ঘোষণার পরেই বেআইনিভাবে আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে দিল্লি। এখনও পর্যন্ত ১৮ হাজার এমন ভারতীয়ের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের প্রশাসন একযোগে অবৈধভাবে বসবাসকারী ভারতীয়দের তালিকা তৈরি করেছে। ট্রাম্পের আমলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত রাখার জন্যই দিল্লির এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।



