সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: টানা বৃষ্টি হলেই জলে ভাসে পুরাতন মালদহ শহরের বেশকিছু ওয়ার্ড। বিশেষত ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড। প্রতিবছর বর্ষায় গান্ধীকলোনি, খৈহাট্টা, গাবতলা, কর্মকার পাড়া, চৈতন্য মোড় সহ একাধিক এলাকায় জল জমে যায়। এবছর পরিস্থিতি এখনও খারাপ না হলেও
জল জমতে শুরু করেছে। আর কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হলেই নিকাশিনালার জল উপচে ঘরে ঢুকে পড়বে। বর্ষায় এবার যাতে ভোগান্তি বেশি না হয়, সেদিকে নজর দিয়েছে পুরাতন মালদহ পুরসভা। সেবিষয়ে প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছে পুর কর্তৃপক্ষ। কোথায় জল বেশি জমে,জমলে কীভাবে নিষ্কাশন করা হবে তা বিশদে খোঁজখবর নিচ্ছেন চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলাররা। জমা জল বের করতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পাম্প রাখা হচ্ছে। ওই পাম্পের সাহায্যে জমাজল শহরের নিকাশিনালা দিয়ে ফেলা হবে মহানন্দা নদীতে। পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ বলেন, শহরের কোথায় কোথায় জল জমে,তা আমরা চিহ্নিত করে ফেলেছি। সেইমতো পাম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিহ্নিত ওয়ার্ডে পাম্প পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শহরবাসীকে পরিষেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।
পুরসভা সূত্রে খবর, মঙ্গলবাড়ি রেলগেট সংলগ্ন এলাকার ওয়ার্ডগুলিতে বেশি জল জমে। ওই এলাকার মানুষকে শহরের প্রাণকেন্দ্র মঙ্গলবাড়ি আসতে কর্মকার পাড়া এবং চৈতন্য মোড়ের রুট ধরতে হয়। ভারী বৃষ্টি হলেই এই রুট জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে যায়।
সারদা কলোনির বাড়িগুলিতেও জল ঢুকে পড়ে। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, সারদা কলোনি ঢোকার রাস্তাটি উঁচু করতে হবে। কিন্তু টেন্ডার করতে পারছি না। তবে জল বাড়লে পাম্পসেট লাগিয়ে তা বের করে দেওয়া হবে। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রিমি পাল বলেন, আমার ওয়ার্ডেও নিকাশি নিয়ে সমস্যা আছে। জল জমলে তা বের করে দেওয়ার জন্য পুরসভা পাম্পসেট দিয়েছে। তবে ফুটানি মোড়ে আরও একটি পাম্পসেট লাগবে।