সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: সন্ধ্যা হলেই পুরাতন মালদহ শহরে বাড়ছে মশার উপদ্রব। শহরের ১৩ এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে বৃষ্টির জল জমে থাকছে। সেই জল নামতে সময় লাগছে। ওই ওয়ার্ড গুলিতে জমা জল নিয়ে মানুষের ভোগান্তির অন্ত নেই। অভিযোগ, বর্ষার শুরু থেকে বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরাতন মালদহের ২০টি ওয়ার্ডে গাপ্পি মাছ ছাড়া হল। শুক্রবার পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নিকাশিনালা, জলাশয়ে সেই মাছ ছাড়া হয়।
জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদহ পুরসভাকে মোট ৮০ হাজার গাপ্পি মাছ দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে আরও গাপ্পি মাছ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ বলেন, ২০ টি ওয়ার্ডে দুটি করে প্যাকেটে গাপ্পি মাছ দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় কাউন্সিলাররা নিজেরাও ছেড়েছেন। ওই মাছ মশার লার্ভা খেয়ে নেবে। গাপ্পি ছাড়ার পাশাপাশি মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে শহরবাসীকে সচেতন করছে পুরসভা। বাড়ির আশপাশে জল জমতে না দেওয়া, ডাবের খোসা ফেলে না রাখা, রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনো সহ একাধিক সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে। জ্বর হলে দ্রুত উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুরসভার কর্মীরাও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যাচ্ছেন। শহরের রাস্তার ধারের গাছের ডালপালা, আগাছা কেটে ফেলার পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় স্প্রে করার হচ্ছে। পুরসভার একটি দল নিয়মিত এই কাজ করছেন বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার বাসন্তী রায় এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার শক্রঘ্ন সিনহা বলেন, গাপ্পি মাছ পেয়েছি। ওয়ার্ডের বিভিন্ন জলাশয়ে ছাড়া হয়েছে।