সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল শহরের শতাধিক পরিবারের কর্মসংস্থানের আশায় ব্যবসায়ী সমিতি নতুন একটি বাণিজ্যিক ভবন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই ঘাটাল পুরসভা সেই নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় শহরে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
Advertisement
‘তহবাজার সমিতি’ নামে ওই ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তাদের দাবি, তাঁরা পরিকল্পনা অনুযায়ী প্ল্যান তৈরি করে পুরসভায় জমা দেন এবং মৌখিক অনুমতি নিয়েই নির্মাণকাজ শুরু করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে পুরসভা সেই কাজ বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় বহু ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা আর্থিক দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
পুরসভার চেয়ারম্যান তুহিনকান্তি বেরা স্বীকার করেছেন যে, নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ওই জমির মালিকানা সংক্রান্ত কিছু সমস্যা রয়েছে, যার ফলে কাজ আটকে দেওয়া হয়েছে।
ঘাটাল শহরের মূল বাজার, যা ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত, একসময় ইংরেজ শাসনের অধীনে একটি ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেই থেকে এটি ‘কুঠিবাজার’ নামে পরিচিত। এই বাজারে ৫০০-রও বেশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ১৯৩০ সালের পর থেকে এটি সুরেকা পরিবারের অধীনে চলে যায়। বর্তমানে ওই পরিবারের সদস্যরা কলকাতায় বসবাস করেন এবং তাঁদের নিযুক্ত একজন ম্যানেজার সমীর ঘোষ বাজার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।
কুঠিবাজারের কেন্দ্রে বহু বছরের পুরনো একটি টিনের আটচালা ছিল, যা একসময় ঘাটালের প্রধান সব্জিবাজার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেখানে প্রায় ১৫০টি স্থায়ী স্টল ছিল এবং তহবাজার সমিতিই বাজারটি পরিচালনা করত। দীর্ঘদিনের ব্যবহারে আটচালাটি জীর্ণ হয়ে পড়েছিল, ফলে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সেখানে একটি চারতলা বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। বাজারের ম্যানেজার সমীর ঘোষও এই উদ্যোগে সম্মতি দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় তিন মাস আগে পুরনো চালাটি ভেঙে ফেলা হয়। এর ফলে বহু ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হন এবং অনেকেই নতুন ভবনে ব্যবসা শুরুর আশায় আপাতত ব্যবসা বন্ধ রেখেছেন।
সমিতির সভাপতি আশিস দাস ও সম্পাদক সঞ্জীব দাস জানান, ব্যবসায়ীদের নিজস্ব অর্থেই এই ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। ভবনটি সম্পন্ন হলে পুরনো ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা পুনরায় শুরু করতে পারতেন, পাশাপাশি নতুন যুবকরাও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতেন। তাঁরা আরও বলেন, পুরসভায় প্রয়োজনীয় প্ল্যান জমা দিয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় থেকেই নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছিল। পুরসভার কার্যালয় থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে এই নির্মাণকাজ চলছিল। সেই কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগচ্ছিল। কিন্তু আকস্মিকভাবে পুরসভা এতে আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। পুরসভা শেষ পর্যন্ত অনুমতি দেবে কি না, সে বিষয়েও সংশয় রয়েছে। ফলে এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত শতাধিক পরিবার দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।পুরসভার চেয়ারম্যান তুহিনকান্তি বেরা স্বীকার করেছেন যে, নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ওই জমির মালিকানা সংক্রান্ত কিছু সমস্যা রয়েছে, যার ফলে কাজ আটকে দেওয়া হয়েছে।
ঘাটাল শহরের মূল বাজার, যা ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত, একসময় ইংরেজ শাসনের অধীনে একটি ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেই থেকে এটি ‘কুঠিবাজার’ নামে পরিচিত। এই বাজারে ৫০০-রও বেশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ১৯৩০ সালের পর থেকে এটি সুরেকা পরিবারের অধীনে চলে যায়। বর্তমানে ওই পরিবারের সদস্যরা কলকাতায় বসবাস করেন এবং তাঁদের নিযুক্ত একজন ম্যানেজার সমীর ঘোষ বাজার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।
কুঠিবাজারের কেন্দ্রে বহু বছরের পুরনো একটি টিনের আটচালা ছিল, যা একসময় ঘাটালের প্রধান সব্জিবাজার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেখানে প্রায় ১৫০টি স্থায়ী স্টল ছিল এবং তহবাজার সমিতিই বাজারটি পরিচালনা করত। দীর্ঘদিনের ব্যবহারে আটচালাটি জীর্ণ হয়ে পড়েছিল, ফলে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সেখানে একটি চারতলা বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। বাজারের ম্যানেজার সমীর ঘোষও এই উদ্যোগে সম্মতি দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় তিন মাস আগে পুরনো চালাটি ভেঙে ফেলা হয়। এর ফলে বহু ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হন এবং অনেকেই নতুন ভবনে ব্যবসা শুরুর আশায় আপাতত ব্যবসা বন্ধ রেখেছেন।
চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বাজারের ম্যানেজার হিসেবে সমীরবাবুর কাছে বৈধ কাগজপত্র নেই। অন্যদিকে, সমীরবাবু দাবি করেছেন, সমস্ত নথি দিয়েই প্ল্যান অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তিনি আরও জানান, তাঁর স্বাক্ষরিত নথির মাধ্যমেই সারা বাজারের ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ হয়ে থাকে। ফলে এখন ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতির সমাধানের অপেক্ষায় দিন গুনছেন, যাতে তাঁদের কর্মসংস্থান আবার সচল হয়।



