নয়াদিল্লি: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্য। ইসিআইনেট পোর্টালের কাজ নিয়েও ভুরি ভুর অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা চেয়ে পথে নেমেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। দিল্লির এসআইআর প্রক্রিয়ার উপরও সেই বিক্ষোভের আঁচ পড়েছে। আর চাপে পড়ে আচমকা ভোলবদল কমিশনের। এবার দিল্লির ইআরও-দের ক্ষমতা প্রদান করা হল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কোনোরকম নথি বা নির্ধারিত শুনানি ছাড়াই চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ভোটারদের নাম তোলায় অনুমোদন দিতে পারবেন ইলেক্টরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা। সম্প্রতি ইসিআইনেট পোর্টালে এই সংক্রান্ত একটি নতুন ডায়ালগ বক্স যুক্ত হয়েছে।
দিনকয়েক আগে জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। আজ, শনিবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে সেই মামলারও শুনানি রয়েছে।
সম্প্রতি রাজ্যে চলতি এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে ইসিআইনেট ব্যবস্থায় ইআরও-দের আরও ক্ষমতা প্রদানের আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছিলেন মহারাষ্ট্রের সিইও এস চোকালিঙ্গম। ঘটনাচক্রে ইআরওদের ক্ষমতা খর্ব করা নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্টে তেমনই দাবিই করা হয়েছিল। এর জেরে জ্ঞানেশ কুমার ও আইটি ডিরেক্টর সীমা খান্নাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।
বিপাকে পড়ে রাতারাতি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে কমিশন। জানা গিয়েছে, নতুন এই অপশনে ইআরও-দের একটি ‘হেয়ারিং অর্ডার’ আপলোড করতে হবে। যেখানে বলা থাকবে, তাঁরা ভোটারের সমস্ত নথি দেখে সন্তুষ্ট। যাচাই প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। এভাবেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তোলা যাবে।