নয়াদিল্লি: শনিবার ককরোচ জনতা পার্টির যন্তরমন্তর কর্মসূচির শুরুতেই আটক হয়েছিলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও সমাজকর্মী ধ্রুব রাঠি। গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-র বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। রবিবার ভোররাতে মুক্তি দেওয়া হয়। আর তারপরই ভিডিয়ো পোস্ট করে ধ্রুবর দাবি, আটক নয়, ‘গুন্ডা’দের কায়দায় সাদা পোশাকে পুলিশ এসে তাঁকে ‘অপহরণ’ করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। বাধা দেওয়ায় বাবা-মাকেও হেনস্তা করা হয়েছে। বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর আঘাত লেগেছে বলেও জানান ধ্রুব। তিনি বলেন, ‘এটা কোনো গ্রেপ্তারি বা আটক হতে পারে না। আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। গুন্ডা পাঠিয়ে অপহরণ করা হয়েছে।’
রবিবারও ১৫-২০ জন পুলিশকর্মী বাড়ি ঘিরে রেখেছে এবং বের হতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁর। ধ্রুবর দাবি, তিনি কোনো আইন ভাঙেননি। নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, শুধুমাত্র এই কারণেই কোনো গণতান্ত্রিক দেশে কাউকে বাড়ির বেডরুম থেকে অপহরণ করা হয়? তাঁর বাবা-মাকে মারধর করা হয়? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন ধ্রুব। তাঁর দাবি, দেশে এখন ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ এবং মোদি দেশকে একনায়কতন্ত্রে পরিণত করছেন। বিজেপির কর্মী-সমর্থকসহ শাসক শিবিরের একাংশের দাবি, ধ্রুব বর্তমানে জার্মান নাগরিক। তাই তাঁর ভারতের আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অধিকার নেই। ধ্রুবের ভিসা বাতিল করে জার্মানিতে ফেরত পাঠানোর দাবিও করা হয়। এদিন ভিডিয়োতে নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট দেখিয়ে ওই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন ধ্রুব। তাঁর বার্তা, তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। ছবি: পিটিআই



