মুম্বই: নবরাত্রিতে গরবায় নিষিদ্ধ মুসলিমরা। নাচে অংশ নিতে গেলে দেখাতে হবে আধার কার্ড। কপালে তিলক এবং পুজোয় অংশ নেওয়াও বাধ্যতামূলক। মহারাষ্ট্রে এমনই নিদান বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। ভিএইচপির দাবি, নবরাত্রিতে ‘লাভ জিহাদ’ রুখতেই এমন পদক্ষেপ। এমনকি নবরাত্রিতে অংশগ্রহণকারীদের উপর গোমূত্র ছেটানো হবে বলেও দাবি করেছেন সংগঠনটির এক নেতা।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জাতীয় মুখপাত্র শ্রীরাজ নায়ার পিটিআইকে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘গরবা শুধু একটি নাচ কিংবা বিনোদন নয়। এটি দেবীর উপাসনার একটি পদ্ধতি। ওঁরা (মুসলিম ধর্মালম্বী) মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস করে না। যারা বিশ্বাস করে না, তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের কর্মীরা গরবা অনুষ্ঠানগুলির উপর নজর রাখবে।’ নবীন জৈন নামের আরেক বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতার বলেছেন, ‘অনুষ্ঠানের গেটেই আধার কার্ড দেখে নিশ্চিত হতে হবে, অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যেকেই হিন্দু। পুরুষদের মাথায় আঁকতে হবে তিলক। প্রবেশপথের সামনে রাখা দেবীর ছবির সামনে মাথা নত করলে, তবেই গরবায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। যারা দেবী দুর্গাকে বিশ্বাস করে না, তাঁদের এই অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেওয়া উচিত না। ওরা (মুসলিম) একটি নির্দিষ্ট মানসিকতা নিয়ে চলে, যা আমাদের বোনদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে।’ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিদর্ভ শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত তিতরে একধাপ এগিয়ে বলেছেন, নবরাত্রিতে অংশগ্রহণকারীদের উপর গোমূত্র ছেটানো হবে।