নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অবসরের বয়স পর্যন্ত আর অপেক্ষা নয়। কর্মচ্যুত হলে বেসরকারি সংস্থা-প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা চাকরি হারানোর ১২ মাস পরই ১০০ শতাংশ পিএফ তুলে নিতে পারবেন। এসংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্তি কাটানোর উদ্দেশ্যে তৎপর হয়েছে ইপিএফও। আর তাই এব্যাপারে প্রচার শুরু করছে শ্রমমন্ত্রকের আওতাধীন কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন (ইপিএফও)। সেইমতো তারা জানিয়েছে, ৭৫ শতাংশ অর্থ নয়। কর্মচ্যুত হওয়ার ১২ মাস পর ইপিএফে সঞ্চিত অর্থের পুরোটাই তুলে নিতে পারবেন বেসরকারি সংস্থা-প্রতিষ্ঠানের চাকরি হারানো কর্মী। এক্ষেত্রে তাঁদের আর নিজের ইপিএফ অ্যাকাউন্টে কোনো ‘মিনিমাম ব্যালান্স’ রাখার প্রয়োজন পড়বে না।
ইতিমধ্যেই কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে এব্যাপারে সচেতনতামূলক প্রচার শুরু করেছে। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই দেশের বিভিন্ন পিএফ আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ফিল্ড অফিসের মাধ্যমে এর প্রচার শুরু করা হবে গ্রাহকদের মধ্যে। কারণ এবিষয়ে বিভ্রান্তি ক্রমশ মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে ইপিএফও জানিয়েছিল, কর্মচ্যুত হলেই বেসরকারি সংস্থা-প্রতিষ্ঠানের চাকরি হারানো কর্মীরা তাঁর ইপিএফ অ্যাকাউন্টে সঞ্চিত অর্থের ৭৫ শতাংশ তুলে নিতে পারবেন। কিন্তু ১২ মাস পর্যন্ত বাকি ২৫ শতাংশ অর্থ ‘মিনিমাম ব্যালান্স’ রাখতে হবে।
ইপিএফও সূত্রে জানানো হয়েছে, এবিষয় নিয়েই চরম বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রাহকদের একটি অংশ মনে করছে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা কখনোই পুরো অর্থ হাতে পাবে না। অথচ একেবারেই তা নয়। ১২ মাস পরেই ইপিএফ অ্যাকাউন্টের পুরো অর্থ তুলে নেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে কর্মী পিএফ অ্যাকাউন্টের ১০০ শতাংশ অর্থ বলতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর ‘এমপ্লয়ি শেয়ার’, ‘এমপ্লয়ার শেয়ার’, ইপিএফ সুদের টাকা এবং ২৫ শতাংশ মিনিমাম ব্যালান্সকে সামগ্রিকভাবে বোঝানো হয়েছে। ইপিএফও সূত্রে জানানো হয়েছে, সব অর্থ তুলে নেওয়ার পরও স্বাভাবিক নিয়মেই ওই কর্মচ্যুত কর্মীর ‘ইউনিভার্সাল-অ্যাকাউন্ট-নম্বর’ (ইউএএন) সক্রিয় থাকবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে তিনি ইপিএফওর আওতাভুক্ত কোনো বেসরকারি সংস্থায় যোগ দিলে কন্ট্রিবিউশন জমা পড়তে থাকবে।