Bartaman Logo
৮ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মেলেনি পুর অনুমোদন, বিজেপি নিয়ন্ত্রিত পুজোয় দেদার জ্বলছে ডিজিটাল বিলবোর্ড

মেলেনি সরকারি অনুমোদন। তবুও, শহরজুড়ে পুজো সংক্রান্ত ডিজিটাল বিলবোর্ডের ছড়াছড়ি। অভিযোগ, বিশেষ করে বিজেপি নিয়ন্ত্রিত একাধিক পুজো কমিটি সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অস্থায়ীভাবে এলইডি লাগিয়ে ঝলমলে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন চালাতে শুরু করে দিয়েছে।

মেলেনি পুর অনুমোদন, বিজেপি নিয়ন্ত্রিত পুজোয় দেদার জ্বলছে ডিজিটাল বিলবোর্ড
  • ৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেলেনি সরকারি অনুমোদন। তবুও, শহরজুড়ে পুজো সংক্রান্ত ডিজিটাল বিলবোর্ডের ছড়াছড়ি। অভিযোগ, বিশেষ করে বিজেপি নিয়ন্ত্রিত একাধিক পুজো কমিটি সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অস্থায়ীভাবে এলইডি লাগিয়ে ঝলমলে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন চালাতে শুরু করে দিয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থেকে শুরু করে দেশপ্রিয় পার্ক, সর্বত্র ছবিটা এক। কলকাতা পুরসভার সূত্রে খবর, পুজোর ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলী তৈরি করা হচ্ছে। তাই আপাতত কোনো পুজো কমিটিকেই ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এদিকে, ডিজিটাল বিলবোর্ডে কী ধরনের বিজ্ঞাপন চালানো যাবে বা যাবে না, তাও নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে পুরসভা। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

Advertisement

চলতি বছর প্রথমবার পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে দুর্গাপুজো হচ্ছে। পার্ক স্ট্রিটের মুখ থেকে মল্লিক বাজার পর্যন্ত গোটা রাস্তায় পুজো সংক্রান্ত অস্থায়ী ডিজিটাল বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। ডিজিটাল বিলবোর্ডে জ্বলজ্বল করছে কোথাও পুজো কমিটির বিজ্ঞাপন কোথাও আবার বেসরকারি নানা ধরনের বিজ্ঞাপন। সেই বিজ্ঞাপনের উজ্জ্বলতা এতটাই বেশি, যেন রাতের পার্ক স্ট্রিটে দিন নেমে এসেছে! অন্যদিকে, হাজরা পার্কের মুখে কিংবা রাসবিহারী থেকে দেশপ্রিয় পার্ক যাওয়ার পথেও রাস্তার দু’পাশে প্রমাণ সাইজের ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের স্ট্রাকচার বানানো হয়েছে। সেখানেও জ্বলজ্বল করছে বিজ্ঞাপন। এই চত্বরে দেশপ্রিয় পার্ক কিংবা ত্রিধারা সম্মিলনীর মতো শহরের বড় বড় পুজো হয়ে থাকে। 
চলতি বছর পুরসভা ঠিক করেছে, যে সমস্ত পুজো কমিটি ডিজিটাল বিজ্ঞাপন দেবে, তাদের থেকে নির্দিষ্ট চার্জ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই মোট ৯৬২টি পুজো কমিটি বিজ্ঞাপন ফি’তে ছাড় পেতে আবেদন জানিয়েছে। তার মধ্যে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের জন্য অনুমোদন চেয়েছে ১৫-২০টি। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রথমদিকে শহরের দু-তিনটি এজেন্সিকে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের অনুমোদন দেওয়া হলেও, পরবর্তীকালে আর কেউ অনুমতি পায়নি। পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পান্ডের সিদ্ধান্তে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে এসওপি তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন বিজ্ঞাপনদাতাদের নিয়ে প্রথম বৈঠকে স্মিতা এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বিলবোর্ডের উজ্জ্বলতা যাতে গাড়িচালকদের সমস্যা না করে, সেটা দেখতে হবে। সেই সঙ্গে লটারির বিজ্ঞাপন যেন না দেওয়া হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞাপনদাতাদের ‘অনুরোধ’ জানিয়েছেন স্মিতা। আজ, বৃহস্পতিবার এজেন্সিদের নিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈঠক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ