নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পুজোর বুকিং শুরু হতে না হতেই উত্তরবঙ্গের প্রায় সব ট্রেনের সিট শেষ। দীঘা, পুরী যাওয়ার জন্য বহু মানুষ হোটেল বুকিং করে রেখেছেন। বাদ যাচ্ছে না দেশের অন্যান্য দ্রষ্টব্য স্থানগুলিও। কিন্তু এবারের পুজোয় আঁধার যেন কাটতেই চাইছে না বকখালির হোটেল ব্যবসায়ীদের। কারণ দুর্গোৎসবের মরশুমে অধিকাংশ হোটেলে বুকিং একেবারেই হয়নি বলে জানা গিয়েছে। মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। এমনকি, রুম ফাঁকা আছে কি না, তা জানতে ফোন পর্যন্ত আসছে না। কেন এবার এমন পরিস্থিতি, তার কারণ বুঝে উঠতে পারছেন না হোটেল মালিকরা। তাঁদের একটাই কথা, করোনা পর্বের পরও এত খারাপ পরিস্থিতি কখনো হয়নি। এবারই ব্যতিক্রম। বকখালি ফ্রেজারগঞ্জ হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দেবরাজ জানা বলেন, অন্যান্যবার একমাস আগে থেকেই ঘর বুকিং শুরু হয়ে যায়। এমনকি, পুজোর কয়েকদিন আগেও লোকজন রুমের খোঁজ করেন। এবার কিছুই হয়নি। কোনো হোটেলে একটি, কোথাও দু’টি ঘর বুকিং হয়েছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী দিনে বকখালির প্রতি আকর্ষণ হারাবেন পর্যটকরা।
এমনিতেই সারা বছর কম বেশি পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে এই সমুদ্র সৈকতে। কলকাতা থেকে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত এই পর্যটনকেন্দ্র যথেষ্ট জনপ্রিয়। উইকএন্ড কাটানোর পক্ষে একেবারে আদর্শ জায়গা। চলতি বছরে স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে ঠাঁই নাই অবস্থা হয়েছিল বকখালিতে। ফলে অনুমান করা হয়েছিল, পুজোয় এবার ভালো ব্যবসা পাবেন মালিকরা। কিন্তু পঞ্চমীর দিন পর্যন্ত ১০ শতাংশ ঘরও বুকিং হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এদিকে, পর্যটক না এলে সমুদ্র পাড়ের বিভিন্ন দোকানের কেনাবেচা লাটে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পুজোর চারটি দিন কেটে যাওয়ার পর কিছু বুকিং হতে পারে বলে অনুমান হোটেল মালিকদের।



