Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬

রাবড়ি প্রসঙ্গ টেনে লালুকে ঘুরিয়ে আক্রমণ নীতীশের

রাবড়ি প্রসঙ্গ টেনে লালুকে ঘুরিয়ে আক্রমণ নীতীশের
  • ৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০

পাটনা: বিহারে মহিলা নির্যাতন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, অথচ জেডিইউ-বিজেপির সরকার কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। এই অভিযোগে বিধানসভায় একযোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে বিরোধী দলগুলি। দু’দিনের টানা বিক্ষোভে মেজাজ হারিয়ে বসলেন নীতীশ। বিরোধীদের জবাব দিতে গিয়ে আরজেডিকে আক্রমণ করেন তিনি। আর সেই সময় রাবড়ি দেবীর প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন নীতীশ। শুক্রবার বিহার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী আরজেডির উদ্দেশে বলেন, ‘যখন রাবড়ি দেবীর স্বামী (লালুপ্রসাদ যাদব) জেলে যান, তখন তিনি স্ত্রীকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছিলেন। আপনারা এমন এক দলের সদস্য, যারা মহিলাদের জন্য কিছু করেনি।’ এরপর নীতীশের দাবি, মহিলাদের উপর আক্রমণের প্রতিটি ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলাশাসক ও পুলিস সুপারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে। ১৯৯৭ সালে গোখাদ্য দুর্নীতি মামলায় জেলে যান লালুপ্রসাদ। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন রাবড়ি দেবী। সেই ঘটনাকেই এদিন টেনে এনেছেন নীতীশ।

Advertisement

বিরোধীদের বিক্ষোভ কর্মসূচিকেও ‘অযৌক্তিক’ বলে আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ‘আপনারা ভিত্তিহীন কথা বলছেন। আমি কী বলছি, প্রথমে তা শুনুন। কারও দোষ বা ভুল পাওয়া গেলে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই এমন বিক্ষোভের কোনও প্রয়োজন নেই।’এরপর হাত জোড় করে নীতীশ বিরোধী বিধায়কদের বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ করে নিজেদের আসনে বসতে অনুরোধ করেন। 
কিছুদিন আগেই নীতীশ দাবি করেছিলেন,তাঁর জন্যই লালুপ্রসাদ রাজনীতিতে উন্নতি করেছিলেন। লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব অভিযোগ করেছিলেন, বর্তমান বিহার সরকার ‘অক্ষম’ হয়ে গিয়েছে, তাই মানুষের দুর্দশা বাড়ছে। তার জবাবে নীতীশ তেজস্বীকে বলেন, ‘বিহার আগে কী ছিল? আপনার বাবা আজ যা হয়েছেন, তার সবকিছুর পিছনে আমি রয়েছি।’ জবাবে তেজস্বী বলেন, ‘নীতীশ কুমারের নিজের বিষয়টিও মনে রাখা উচিত। আমি দু’বার তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ বাঁচাতে সাহায্য করেছি। নাহলে ওঁর দল শেষ হয়ে যেত।’

সম্পর্কিত সংবাদ