নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গ্রন্থাগারিক, ফিজিক্যাল এডুকেশন এবং স্পোর্টসের অধিকর্তাদের পদোন্নতি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিল উচ্চশিক্ষা দপ্তর। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই নির্দেশিকা ঘিরে অবশ্য একটি আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই নিয়ম কার্যকর হবে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে। পদোন্নতির জন্য বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তবে সমস্যা তা নয়। ১ জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত যেসব শিক্ষকের পদোন্নতি হয়েছে বা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, ‘কেরিয়ার অ্যাডভান্সমেন্ট স্কিমের (ক্যাস) মাধ্যমে পদোন্নতি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তিন-চার মাস সময় তো লাগেই। এর জন্য কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্তের উপরেই কোনো শিক্ষক বা গ্রন্থাগারিকের পদোন্নতি নির্ভর করে। আগের যে কমিটি কারও পদোন্নতি মঞ্জুর করেছে, পরের কমিটি সেটা খারিজও করতে পারে। আবার নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়টিও সময়সাপেক্ষ।’ পার্থপ্রতিমবাবুদের দাবি, এভাবে চালু প্রক্রিয়ায় নয়া অর্ডার জারি করে ‘রেট্রোস্পেকটিভ এফেক্ট’ বা অতীতের কোনো সময় থেকে তা কার্যকর করা যায় না। এতে যাদবপুরের অন্তত ৩৫ জন আর রাজ্যজুড়ে ৪০০-৫০০ শিক্ষক, গ্রন্থাগারিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।