নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: ভ্রমণ পিপাসু বাঙালির জন্য খুশির খবর নিয়ে এল উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম। পুজোর ভ্রমণে এনবিএসটিসির নতুন চমক ‘নিঝুম অরণ্যের পথে’। শরতের সকালে বনভ্রমণ। প্রকৃতিকে আরএকটু কাছে থেকে দেখা। তারসঙ্গে থাকছে আদিবাসী নৃত্যের পরিবেশনা।
উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অশ্বিনী রায় বলেন, পুজোয় আমরা ভ্রমণ পরিষেবা চালু করতে চলেছি। যার নাম ‘নিঝুম অরণ্যের পথে’। মহালয়া অর্থাৎ ১০ অক্টোবরের সকালে থেকে পুজোর ভ্রমণ পরিষেবা চালু হচ্ছে।
এনবিএসটিসি তাদের এই পুজো ভ্রমণ পরিষেবার জন্য ৪০ আসন বিশিষ্ট একটি বাস দিচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী পরবর্তীতে বড়ো বাস নামানো হতে পারে। তবে, শুধুমাত্র দুর্গাপুজোর ক’দিনের জন্যই নয় এই ট্যুর। এই ভ্রমণ পরিষেবা লক্ষ্মী পুজোর পরদিন অর্থাৎ ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।
‘নিঝুম অরণ্যের পথে’ এই ভ্রামণ ট্যুরে কি কি চমক থাকছে, এই প্রশ্নের উত্তরে এনবিএসটিসির ট্যুর প্ল্যানের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী জানিয়েছেন, কোচবিহার থেকে ছেড়ে বাসটি প্রথম যাবে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের রাজাভাতখাওয়ায়। অনুমতি সাপেক্ষে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হতে পারে ব্যক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জয়ন্তীতে।
বনদপ্তর অনুমতি দিলে তবেই পর্যটকদের জয়ন্তী নদীর ধারের নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখার সুযোগ করে দেওয়া হবে। তবে জঙ্গলের গভীরে যাওয়া হবে না। এরপর বাস ঘুরিয়ে রাজাভাতখাওয়া হয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ধার ঘেঁষে নিমতি এবং সেখান থেকে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের চিলাপাতা জঙ্গলে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে পর্যটকদের জন্য থাকবে রাভা অথবা আদিবাসী নৃত্যের আয়োজন।
এনবিএসটিসির ‘নিঝুম অরণ্যের পথে’ বাসটি প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টায় ছাড়বে। কোচবিহার সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাসের পরিবর্তে বাসটি ছাড়া হবে পুরাতন বাসস্ট্যন্ড থেকে। এরজন্য অবশ্য অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। তবে অনলাইনে নয়, টিকিট সংগ্রহ করতে হবে বাসস্ট্যান্ডের বিশেষ টিকিট কাউন্টার থেকে। এনবিএসটিসির আশা, পুজোর মরশুমে এই ট্যুরের জন্য তারা ভালো সংখ্যক পর্যটক পাবে।