


সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: মুকুল রায়ের মৃত্যুতে শোকাহত ময়নাগুড়ির বসুনিয়া পরিবার। মুকুল রায় জল্পেশ মন্দিরে পুজো দিতে এলে বসুনিয়া বাড়িতে আসতেন। দুপুরে মধ্যাহ্নভোজ সেখানেই সারতেন তিনি। ময়নাগুড়ির মাধবডাঙ্গা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বসুনিয়া পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল মুকুলবাবুর। তাঁর বাড়িতেও যেতেন শশাঙ্ক রায় বসুনিয়া। পুরনো দিনের স্মৃতিগুলি সারা জীবন মনে থাকবে বলে জানালেন তৃণমূলের প্রাক্তন ময়নাগুড়ি-২ সাংগঠনিক ব্লকের সভাপতি শশাঙ্কবাবু। কিছুদিন আগে তিনি অবশ্য বিজেপিতে যোগদান করেছেন।
তৃণমূলের জন্মলগ্ন ১৯৯৮ সাল থেকেই মুকুলবাবুর সঙ্গে পরিচয় শশাঙ্কবাবুর। সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়। মুকুলবাবুর ছেলের বিয়েতেও বসুনিয়া পরিবারের নিমন্ত্রণ ছিল। মুকুলবাবু ময়নাগুড়িতে এলে তাঁর পছন্দ ছিল তিস্তা নদীর বোরলি মাছ। তাঁর জন্য বোরলি মাছ রান্না করতেন শশাঙ্কবাবুর স্ত্রী মীরা রায় বসুনিয়া।
শশাঙ্কবাবু বলেন, আমাদের অনেক স্মৃতি জড়ানো রয়েছে। তিনি আমার রাজনৈতিক গুরু। আমাদের বাড়িতে অনেক বার এসেছেন। কলকাতায় গেলে তিনি আমাকে পাশে বসিয়ে গল্প করতেন। আগে ফোনেও কথা হতো। তাঁর বুদ্ধিতেই ময়নাগুড়িতে সিপিএমকে পরাজিত করেছিলাম। তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক পারিবারিক হয়ে গিয়েছিল। তাঁর স্মৃতি সারা জীবন বুকে জড়ান থাকবে। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক বিমলেন্দু চৌধুরী বলেন, শশাঙ্ক রায় বসুনিয়ার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল মুকুল রায়ের। জল্পেশ মন্দিরে পুজো দিতে এলেই তাঁর বাড়িতে যেতেন। আমার সঙ্গেও মুকুলবাবুর বহুবার কথা হয়েছে। কাছের মানুষকে হারালাম। • ফাইল চিত্র।