নয়াদিল্লি: মুখ্যমন্ত্রী ও সরকারের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় দুই সাংবাদিককে থানায় নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল রাজধানীতে। সেই ঘটনায় এবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন তাঁরা। শুক্রবার এনিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন সাংবাদিক শাহিন খান ও নাফিসা খান। সঙ্গে ছিলেন তাঁদের ডিজিটাল নিউজ চ্যানেলের এডিটর। শাহিন ও নাফিসা জানিয়েছেন, মারধরের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পেতে তাঁরা দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করবেন। যদিও নির্যাতনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। প্রশাসনের দাবি, ভিভিআইপি পার্কিংয়ের সামনে স্কুটার দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন ওই দুই সাংবাদিক। তাঁদের গাড়িটি সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু শোনেননি। যদিও শাহিন ও নাফিসার দাবি, বৃহস্পতিবার তাঁদের আটক করে সাকেত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি ঘরে আটকে অত্যাচার চলে। ধর্মীয় পরিচয়ও জানতে চাওয়া হয়। থানার সমস্ত ঘরে সিসিক্যামেরা থাকলে সহজেই নিগ্রহের ঘটনা প্রমাণ করা যাবে। এই ঘটনায় দোষী পুলিশ আধিকারিকদের সাসপেন্ডের দাবি তুলেছে কংগ্রেস। মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী অলকা লাম্বা বলেছেন, দিল্লিতে বৈদ্যুতিন মিডিয়ার দুই সংখ্যালঘু মহিলা সাংবাদিক শাহিন খান ও নাফিসা খানের ওপরও দিল্লি পুলিশ হামলা করেছে। নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাই যারা ওদের ওপর অত্যাচার করেছে, সেইসব পুলিশকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করতে হবে।



