সংবাদদাতা, বনগাঁ, কল্যাণী ও বারুইপুর: মঙ্গলবার বনগাঁয় দুটি ও কল্যাণীতে একটি পুজো উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, রাজ্যে গত বছরের তুলনায় এবছর ১২ হাজার ৪০০টি বেশি পুজো হচ্ছে। যেগুলি বিগত সরকার অনুমতি দেয়নি।
বনগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার গান্ধীপল্লি বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাব এবং হাবড়ার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডলের ক্লাব ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবের মণ্ডপ উদ্বোধন করেন শুভেন্দু অধিকারী। হেলিকপ্টারে বনগাঁ আসেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবছর ১২ হাজার ৪০০টি নতুন পুজো হচ্ছে। যেগুলি বিগত সরকার অনুমতি দেয়নি। সিএএ নিয়ে তিনি বলেন, ভারত সরকার সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারকে অনুমতি দিয়েছে। এরফলে এখন সিএএ সার্টিফিকেট পাওয়া অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান, বনগাঁ উত্তর বিধানসভা এলাকায় ৭২ হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন। আগামীতে এই সংখ্যা অনেকটাই বাড়বে। কল্যাণীতেও একটি পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চকেদারের আদলে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। একসঙ্গে দেখা মিলবে উত্তরাখণ্ডের পাঁচটি প্রাচীন মন্দিরের প্রতিরূপ। ৭০ লক্ষ টাকা বাজেটে এবার এমনই অভিনব ভাবনায় সেজে উঠেছে কল্যাণীর এ-৯ স্কোয়ার পার্কের দুর্গাপুজো। পুজো ৫৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। পুজোর উদ্বোধনের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আকাশপথে আসার সময় ডিএম ও এসপি আমার সঙ্গে ছিলেন। কল্যাণীতে এয়ারপোর্টের জায়গা দেখছিলাম।’
এদিনই বারুইপুরের ফুলতলা দুর্গোৎসব কমিটির পুজো উদ্বোধন করেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, পুজোয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে বসে ভোজন করতে হবে। সেটাই হবে আসল পুজো। জনসেবা বেশি করতে হবে। মিলেমিশে থেকে সোনার বাংলা করতে হবে। এছাড়াও মন্ত্রী বারুইপুরের অজয় সংঘ, সাহা পাড়া সাত আট পল্লি, ফুলতলা বিধান স্মৃতি সংঘের পুজো মণ্ডপও উদ্বোধন করেন। এদিন, বারুইপুর উত্তর উকিলপাড়া ভাই ভাই সংঘের পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন করেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহারাজ স্বামী ইস্টেশানন্দজি মহারাজ।



