Bartaman Logo
১৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বন্দুক কাণ্ডে নজরে কলকাতার আরও কিছু অস্ত্র বিপণি, চলছে তথ্য জোগাড়

আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গোয়েন্দাদের নজরে লাইসেন্স প্রাপ্ত আরও কয়েকটি অস্ত্র বিপণি। যেখান থেকে রহড়ার অস্ত্র ব্যবসায়ী মধুসূদন মুখোপাধ্যায় সহ অন্য দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র কিনেছে বলে জানা যাচ্ছে।

বন্দুক কাণ্ডে নজরে কলকাতার আরও কিছু অস্ত্র বিপণি, চলছে তথ্য জোগাড়
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা:  আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গোয়েন্দাদের নজরে লাইসেন্স প্রাপ্ত আরও কয়েকটি অস্ত্র বিপণি। যেখান থেকে রহড়ার অস্ত্র ব্যবসায়ী মধুসূদন মুখোপাধ্যায় সহ অন্য দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র কিনেছে বলে জানা যাচ্ছে। বিগত পাঁচ বছরে এই বৈধ অস্ত্র বিপণিগুলি থেকে কয়েক হাজার গুলি-বন্দুক বেআইনিভাবে বিক্রি হয়েছে।  সেই বিষয়ে নিশ্চিত তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে পুলিস সহ আধা সেনার ব্যবহার করা পয়েন্ট ৩৮ বোরের কার্তুজ মধুসূদন যার কাছ থেকে পেয়েছিল, তাকে শনাক্ত করা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তার খোঁজ চলছে। সেই কার্তুজগুলি অস্ত্র বিপণি থেকে বের হয়নি। 

Advertisement

গত ৪ আগস্ট রহড়ার একটি আবাসন থেকে বিপুল পরিমাণ গুলি-বন্দুক সহ ধরা পড়ে বেআইনি অস্ত্রের কারবারি মধুসূদন। তাকে জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, অস্ত্র ব্যবসায়ী দাঁ ভাইদের কাছ থেকেই শুধু অস্ত্র কিনেছে, এমনটা নয়। তার কাছে যে পরিমাণ অর্ডার আসত, সেটি একা ওই অস্ত্র বিপনির পক্ষে মেটানো সম্ভব ছিল না। সুবীর দাঁ, সুব্রত দাঁ ও অভির দাঁ’র মাধ্যমে এই কারবারে যুক্ত আরও কয়েকজনের পরিচয় হয়। সেখান থেকে সে অস্ত্র কেনা শুরু করে। এই দোকানগুলির সিংহভাগ কলকাতার বলে গোয়েন্দারা জানতে পারছেন। মধুসূদন জেরায় জানিয়েছে, প্রায় প্রতিদিন কলকাতা থেকে অস্ত্র যেত রহড়ায়। দাঁ ভাইদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, গত পাঁচ বছরে সাত থেকে আট হাজার কার্তুজ তাঁরা বিক্রি করেছেন মধুসূদনকে। এর বাইরে আরও কার্তুজ অন্য দুষ্কৃতীদের কাছেও গিয়েছে। তাই সংখ্যাটা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে রহড়ার অস্ত্র কারবারি ওই সময়েই প্রায় তিন হাজার এক ও দু’নলা বন্দুক এবং সেভেন এম এম পিস্তলও নিয়েছে দাঁ ভাইদের কাছ থেকে। এছাড়া অন্য অস্ত্র বিপণি থেকেও তার কাছে গুলি-বন্দুক পৌঁছেছে। চলতি বছরে মধুসূদন কত অস্ত্র ও গুলি কিনেছে, তার হিসেব কষা চলছে। মধুসূদন যাদের সেগুলি সরবরাহ করেছে, তাদের নাম পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
জেরায় দাঁ ভাইরা তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, তাঁরা এ বিষয়গুলি দেখতেন না। দোকানের দুই কর্মী দেখতেন। যদিও তাঁদের এই বক্তব্য মানতে নারাজ তদন্তকারীরা। মালিকদের অনুমতি ভিন্ন এই কাজ সম্ভব নয় বলে অফিসারদের বক্তব্য। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ