


সংবাদদাতা, বনগাঁ: সীমান্ত পরিদর্শনে এসে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। মন্ত্রী বলেন, ‘কোনো অনুপ্রবেশকারীকে আমরা এরাজ্যে থাকতে দেব না। এখনো সময় আছে কাঁটাতারের আগেই পালিয়ে যান।’ রবিবার পেট্রাপোল সীমান্ত পরিদর্শন করে কাঁটাতারের বেড়ার জন্য জমিজট কাঁটাতে সীমান্তের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এদিন সীমান্তের কালিয়ানি গ্রামে যান তিনি। সেখানে বাসিন্দারা মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে জমি সংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, জমির মালিকরা অনেকেই কাঁটাতারের বিষয়ে অবগত নন। তাঁদের জমির জন্য কত টাকা সরকার দিচ্ছে। কতটা জমি নেওয়া হবে সে বিষয়ে সরকার স্পষ্ট করে বলুক। জমির দাম সমবণ্টন হোক বলেও দাবি তোলেন অনেকেই। বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে মন্ত্রী জানান এই বিষয়ে মহকুমা শাসক ও বিডিওর সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। এদিন প্রথমে বনগাঁ আদালতের পাশেই ভারত সেবাশ্রম সংঘে আসেন মন্ত্রী। সেখানে প্রণবানন্দ মহারাজের আশীর্বাদ নেন খাদ্যমন্ত্রী। এরপর সীমান্তে কালিয়ানি গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কাঁটাতারবিহীন এলাকা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। এলাকার বাসিন্দা মঞ্জু হালদার মন্ত্রীকে সামনে পেয়ে জমির ন্যায্য মূল্য পাওয়ার দাবি জানান। মঞ্জু বলেন, আমরা দেশের সুরক্ষার স্বার্থে জমি দিতে প্রস্তুত। কিন্তু জমির ন্যায্য দাম দিতে হবে। ঝরনা হালদার বলেন, কতটা জমি নেওয়া হবে, দাম কত পাব সে সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। কাঁটাতারের বেড়া কোন এলাকা দিয়ে হবে তাও আমাদের অজানা। আমরা এই বিষয়ে সঠিক তথ্য জানতে চাই। বিশ্বজিৎ হালদার নামে এক যুবক বলেন, দু-দেশের সীমান্ত থেকে যতটা ছেড়ে কাঁটাতার দেওয়ার নিয়ম সেটা মেনেই কাজ হোক। তাহলে আমরা নিজেদের জমিতে চাষ করতে পারব। পেট্রাপোল মৌজায় অবস্থিত ছিটমহল তেরোঘর নিয়েও সরকার ভাবনা চিন্তা করুক। দাবি বাসিন্দাদের। এদিন সকলকেই আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। নিজস্ব চিত্র