নয়াদিল্লি, ২ ফেব্রুয়ারি: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রথম দিন থেকেই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লিখেছেন ছয়বার চিঠিও। এবার আজ, সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক ছিল মমতার। সেই বৈঠকে কালো কাপড় পড়ে হাজির হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বেশ কয়েকজন বাংলার ভোটার। যাদের ভোটার তালিকায় মৃত বলে দাগিয়ে দিয়েছে কমিশন। এমনটাই অভিযোগ। যদিও জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সেই বৈঠককে ঘিরে তুমুল অশান্তি। যাকে কেন্দ্র করে রাজধানী থেকেই বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দলের সাংসদদের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক রয়েছে।
তারপরেই এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করবেন মমতা। তা এদিনই স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘পরবর্তী কী পদক্ষেপ করা হবে, তা আমার দলের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে ঠিক করা হবে। মঙ্গলবার জানিয়ে দেওয়া হবে। এই নির্বাচন কমিশনের থেকে আমাদের কোনও আশা নেই। এরা বিজেপির দালাল, দালাল, দালাল, দালাল। বৈঠকে জমিদারি মেজাজে কথা বলেছেন জ্ঞানেশ কুমার। হাইকোর্টের বিচারপতির স্ত্রীদেরও নোটিস পাঠিয়েছে। এ বার জনতা ওদের নোটিস দেবে। আমি অনেক কমিশনার দেখেছি। কিন্তু কেউ তোতাপাখি ছিলেন না। সেই জন্য আমাদের অসম্মান করা হয়েছে। ঠিক ভাবে আমাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়নি। সেই কারণে আমরা বৈঠক বয়কট করে চলে এসেছি। বিজেপি যা বলছে তাই করছে। আমাদের পক্ষে জনতা আছে। আমরা ময়দানে লড়ে নেব।’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অসম্মান, অপমান করা হয়েছে। আমি অনেক দিন দিল্লিতে রাজনীতি করেছি। মন্ত্রীও ছিলাম। কিন্তু এত দিনে এমন অহংকারী নির্বাচন কমিশনার দেখিনি। নির্বাচনের তিন মাস আগে কেন এসআইআর করতে হল? অসমে কেন করা হল না? এখানে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন।’