Bartaman Logo
৬ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কর্মীদের ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসার আহ্বান মমতার, শোরগোল দুই তৃণমূলে

যেসব কর্মী তাঁর দলে ফিরে আসতে চান, তাঁদের ১৫ দিনের সময়সীমা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বক্তব্য সামনে আসার পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

কর্মীদের ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসার  আহ্বান মমতার, শোরগোল দুই তৃণমূলে
  • ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যেসব কর্মী তাঁর দলে ফিরে আসতে চান, তাঁদের ১৫ দিনের সময়সীমা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বক্তব্য সামনে আসার পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। মমতাপন্থীরা বিষয়টিকে দেখছেন, অভিভাবকসুলভ আচরণ হিসেবে। বিদ্রোহী তৃণমূল শিবির আবার খোঁচা দিয়ে বলছে, উনিই চলে আসুন আমাদের সঙ্গে। আর কংগ্রেসের একটি অংশ মনে করছে, এটা হতাশা।

Advertisement

বস্তুত, এটা সকলেই জানেন বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরে তৃণমূল দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে জোড়াফুল প্রতীক। এই অবস্থায় রবিবার ইসলামপুরের একটি সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন যাঁরা ফিরতে চান, তাঁদের ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসতে হবে। না-হলে প্রয়োজন নেই। আমরা আমাদের মতো করে নেব।
মমতার বক্তব্য নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, কীসের ভরসায় মমতার কাছে কর্মীরা যাবেন? উনি তো আগে চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। কর্মীদের জন্য কী করেছেন? পাশাপাশি বিধায়ক আখরুজ্জমান বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কর্মীরা আর ফিরে যাবেন না। বরং আমরা তাঁকে বলছি, তিনি সত্যিই যদি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান, তাহলে আমাদের সঙ্গে আসুন। পালটা জবাবে মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অভিভাবকের মতোই বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ছবি সামনে রেখেই ভোটে জিতেছেন বিধায়করা। আজ মমতার সঙ্গে বেইমানি করেছেন বেশ কয়েকজন। তবে কয়েকজন অন্য শিবিরে গেলেও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছেন।  যদিও মমতার সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, যেটা হওয়ার ছিল, সেটাই হচ্ছে। দম্ভ-অহংকারে এতদিন বোঝেননি মমতা। সব হারিয়ে এখন বাঁচার চেষ্টা করছেন।
অন্যদিকে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত সংশোধিত ফর্ম ৬ আদালত অনুমোদন করেনি বলে স্পষ্ট করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে সরব হয়েছে মমতা তৃণমূল। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তো তাদের নিজস্ব প্রেস নোটে উল্লেখ করেছিল ফর্ম ৬ সুপ্রিম কোর্ট বহাল রেখেছে। তাহলে দেশকে বিভ্রান্ত করছে কে? সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, জ্ঞানেশ কুমার মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ