Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দেবী লক্ষ্মীকে শাড়ি ও রসগোল্লা দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ জগন্নাথের,দীঘার মন্দিরে নীলাদ্রিবিজয় দেখতে ভক্তদের ভিড়

তিনদিন বাইরে থাকার পর মা লক্ষ্মীর মানভঞ্জন করে এক হাঁড়ি রসগোল্লা ও শাড়ি উপহার দিয়ে অবশেষে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করলেন প্রভু জগন্নাথ।

দেবী লক্ষ্মীকে শাড়ি ও রসগোল্লা দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ জগন্নাথের,দীঘার মন্দিরে নীলাদ্রিবিজয় দেখতে ভক্তদের ভিড়
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাঁথি: তিনদিন বাইরে থাকার পর মা লক্ষ্মীর মানভঞ্জন করে এক হাঁড়ি রসগোল্লা ও শাড়ি উপহার দিয়ে অবশেষে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করলেন প্রভু জগন্নাথ। মঙ্গলবার বিকেলে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে এই নীলাদ্রিবিজয় উৎসব দেখতে বহু ভক্ত ভিড় জমান। এদিন সন্ধ্যায়  নীলাদ্রিবিজয়ের মাধ্যমে জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করেন।

Advertisement

আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে রত্নবেদী ছেড়ে জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা-তিন ভাইবোন মাসির বাড়ি চলে যান। দেবী লক্ষ্মীর অনুমতি না নিয়ে চলে যাওয়ায় তিনি বেজায় ক্ষুব্ধ হন।  মাসির বাড়ি থেকে ফিরে আসার পর জগন্নাথ রত্নবেদীতে প্রবেশ করতে গেলেই শুরু হয় গণ্ডগোল। সদর দরজা আটকে দাঁড়িয়ে থাকেন স্বয়ং মা লক্ষ্মী। ফলে তিনদিন ধরে রথেই অপেক্ষা করতে হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে। মাঝে রথের পরের দিন সোনাবেশে দেখা দেন জগন্নাথ। মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হল নীলাদ্রিবিজয়।
এদিন ভালোয় ভালোয় মন্দিরে প্রবেশ করে যান বলরাম ও সুভদ্রা। কিন্তু জগন্নাথ প্রবেশ করতে গেলেই মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেন দেবী লক্ষ্মী। স্ত্রীর মানভঞ্জনের জন্য এক হাঁড়ি রসগোল্লা নিয়ে এসেছিলেন জগন্নাথ। সঙ্গে ছিল একটি শাড়িও। শেষমেষ রসগোল্লা ও শাড়ি পাওয়ার পর দেবীর মানভঞ্জন হয়। এরপরই জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি পান। বিকেল ৩টের পর মন্দিরের দরজা খুলে যেতেই ভক্তরা মন্দিরে প্রবেশ করেন। তাঁরা নীলাদ্রিবিজয় দেখতে রথের সামনে ভিড় জমান।
দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে এই প্রথম মানভঞ্জনের পালা দেখতে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে ছিল। মন্দির ট্রাস্টের সদস্য রাধারমণ দাস বলেন, সন্ধ্যা নাগাদ জগন্নাথ গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন। তারপর জগন্নাথকে ভোগ অর্পণের পাশাপাশি পুজোপাঠ চলে। ভক্তদের মধ্যেও রসগোল্লা বিতরণ করা হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ