নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: থাইল্যান্ডে পার্টি ড্রাগ হিসাবে ব্যবহৃত ব্যথার ওষুধ কলকাতা থেকে বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষ্ণনগরে একটি হোটেলের সামনে শিলিগুড়িগামী ভলভো বাসে বুধবার রাতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ব্যথার ক্যাপসুল উদ্ধার করল শুল্ক দপ্তর। মুরগির খাবার হিসাবে দেখিয়ে প্যাকেটে ভরে এগুলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। যদিও পাচারকারিদের পাওয়া যায়নি। তাদের খোঁজ চলছে।
শুল্ক দপ্তরের কাছে খবর আসছিল, রাজ্যে নিষিদ্ধ ব্যথার ওষুধ পাচার হচ্ছে থাইল্যান্ডে। সেখানে এর বিপুল চাহিদা রয়েছে। এক একটি ক্যাপসুল বিক্রি হচ্ছে অন্তত পাঁচশো টাকায়। কলকাতা থেকে শিলিগুড়িগামী বাসে এগুলি তুলে দিচ্ছে পাচার চক্রের সিন্ডিকেটের লোকজন। শিলিগুড়িতে নামিয়ে নিচ্ছে পাচারকারিরা। তারপর সেগুলি চলে যাচ্ছে ইম্ফল। সেখান থেকে মায়ামার হয়ে চীনে পৌঁছনোর পর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে থাইল্যান্ডে। অনেকটা ঘুরপথে তা যাচ্ছে। তার ভিত্তিতে খোঁজখবর শুরু করে কৃষ্ণনগর কাস্টমস। জানা যায়, বুধবার রাতে কলকাতা থেকে শিলিগুড়িগামী বাসে এই ওষুধ উঠেছে। তার ভিত্তিতে কৃষ্ণনগরের কাস্টমস বিভাগের অ্যাসিসট্যান্ট কমিশনারের নেতৃত্বে টিম সেখানকার একটি হোটেলের সামনে অপেক্ষা করছিল।
বাসটি আসতেই তল্লাশি চালান অফিসাররা। দেখা যায়, তিনটি কাগজের বাক্স রয়েছে। মুরগির খাবারের প্যাকেট আছে তার মধ্যে। প্যাকেট খুলতেই দেখা যায়, তাতে রয়েছে নিষিদ্ধ ব্যথার ওষুধ। তিনটি প্যাকেট মিলিয়ে ২৫০০ ওষুধ উদ্ধার হয়। পাচারকারিদের ধরতে তৎপরপতা শুরু করেছেন শুল্ক দপ্তরের অফিসাররা।