Bartaman Logo
১ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গাঁজা পাচারের নেটওয়ার্ক ভাঙতে উদ্যোগী কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা

জেলাজুড়ে গাঁজা পাচারের নেটওয়ার্ক ভাঙতে কোমর বাঁধছে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা

গাঁজা পাচারের নেটওয়ার্ক ভাঙতে উদ্যোগী কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা
  • ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জেলাজুড়ে গাঁজা পাচারের নেটওয়ার্ক ভাঙতে কোমর বাঁধছে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা। গাঁজার কারবারে কারা টাকা ঢালছে, কোথা থেকে আসছে মাদক, কীভাবে হচ্ছে আর্থিক লেনদেন, সেসব জানতে চাইছে পুলিশ। আবগারি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে চলবে অভিযান। শুক্রবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। 

Advertisement

কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার এসপি অতুল ভি বলেন, ‘গাঁজা পাচার বন্ধ করতে কাজ হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসছে, গাঁজা মজুত করা হচ্ছে। কালীগঞ্জে কয়েকদিন আগেই আবগারি দপ্তর অভিযান চালিয়েছিল। এর পিছনে বড় মাথা রয়েছে। সেই কারণেই এখন গোটা নেটওয়ার্ক ভাঙতে চাইছি। কে গাড়ি দিচ্ছে, কে টাকা জোগাচ্ছে, কীভাবে লেনদেন হচ্ছে, কোথা থেকে গাঁজা আসছে, সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আবগারি দপ্তরের অভিযানে ধৃত কারবারিদের থেকে পাওয়া তথ্য পুলিশের সঙ্গে আদানপ্রদান করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই পাচারের নেটওয়ার্কের খোঁজে নামবে পুলিশ। শুক্রবারের বৈঠকে বিএসএফ এবং আবগারি দপ্তরের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন এসপি। উল্লেখ্য, দিন পনেরো আগে কালীগঞ্জের দেবগ্রামে আবগারি দপ্তরের অভিযানে গাঁজা মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন শঙ্কর দাস। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এলাকার আরও দু’টি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তিনটি জায়গা থেকে মোট ৩৩.২ কেজি গাঁজা এবং ১০ লক্ষ ২ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা। শুক্রবার কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হলে শঙ্করকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
ওই দুই বাড়ির বাসিন্দাদের সঙ্গে শঙ্করের যোগাযোগ এবং মাদক কারবারে আর্থিক মদতদাতাদের খোঁজও চলছে। এবার আবগারি দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে সেই যোগসূত্র ধরে এগতে চাইছে পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ