Bartaman Logo
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৪২ বছরে ইয়ং স্টার ক্লাবের দুর্গাপুজো অষ্টমী ও নবমী হবে খিচুড়ি ভোগ বিতরণ

গ্রামের পুজো মানেই একটা আলাদা আনন্দ। পুজোর ক’দিন গ্রামের প্রত্যেকটি পরিবারকে আনন্দ দিতে এবারও বড়োমাপের দুর্গাপুজোর আয়োজন করতে চলেছে বালাসন ইয়ং স্টার ক্লাব।

৪২ বছরে ইয়ং স্টার ক্লাবের দুর্গাপুজো অষ্টমী ও নবমী হবে খিচুড়ি ভোগ বিতরণ
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: গ্রামের পুজো মানেই একটা আলাদা আনন্দ। পুজোর ক’দিন গ্রামের প্রত্যেকটি পরিবারকে আনন্দ দিতে এবারও বড়োমাপের দুর্গাপুজোর আয়োজন করতে চলেছে বালাসন ইয়ং স্টার ক্লাব। ১৯৮৪ সাল থেকে ময়নাগুড়ি ব্লকের বালাসনের সিপাইডাঙায় পুজো করে আসছে এই ক্লাবটি। তবে পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের আক্ষেপ, ৪২ বছর ধরে পুজো করে আসলেও পূর্বতন সরকারের আমলে কোনো সুবিধাই তারা পাননি। এবার রাজ্যে নতুন সরকার এসেছে। এই সরকারের কাছে তারা তাই সহযোগিতা পাওয়ার আশায় আছেন। 

Advertisement

এবার ইয়ং স্টার ক্লাবের পুজো মণ্ডপ তৈরি করছেন সাপ্টিবাড়ির শিল্পী তপন রায়। প্রতিমা বানাচ্ছেন মানব রায়। পুজো কমিটির সদস্যরা বলেন, ১৯৮৪ সালের আগে পুজো হত না আমাদের গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পুজো দেখতে ময়নাগুড়ি শহরে যেতে হত। আজ থেকে ৪২ বছর আগে ছিদাম পাল, প্রাণবল্লভ ব্যাপারী, জয়চাঁদ বাড়ুই, শচীন বাড়ুই, মিহির পাল, রমণী পাল, মেঘলাল পাল, দীপক রায়, সোনু রায় সহ বেশ কয়েকজন মিলে গ্রামে পুজো করার উদ্যোগ নেন। এরপর থেকেই গ্রামে শুরু হয় দুর্গাপুজো। 
অন্যান্য বছরের মতো এবারও পুজোর ক’দিন মণ্ডপে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় সেরাদের দেওয়া হবে পুরস্কার। অষ্টমী ও নবমী দু’দিন খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণ করা হবে দর্শনার্থীদের। এ বছর পুজো কমিটির সভাপতি হয়েছেন স্বপন ব্যাপারী, সহ সভাপতি বিশ্বনাথ দাস। সম্পাদক পদে বসানো হয়েছে বিভাষচন্দ্র পালকে। সহ সম্পাদক দীননাথ রায় ও নীলমণি বাড়ুই। কোষাধ্যক্ষ বিনয়চন্দ্র পাল। সহ কোষাধ্যক্ষ অজিত ব্যাপারী। 
উদ্যোক্তারা বলেন, ক্লাবের নিজস্ব স্থায়ী মণ্ডপ রয়েছে। সেখানেই সাজানো হবে। বাজেট কম হলেও আন্তরিকতার স্পর্শ মেলে এখানে। গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় প্রতিবছর পুজো করে আসছে ইয়ং স্টার ক্লাব। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ