তিরুবনন্তপুরম: মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল রাজধানী দিল্লি। এই অবস্থায় সোমবার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে প্রস্তাব পাশ হল কেরল বিধানসভায়। দেশের প্রথম কোনো রাজ্যে এমন প্রস্তাব পাশ হল। এদিন রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাবটি পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশন। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন শাসক জোট ইউডিএফ এবং বিরোধী সিপিএম নেতৃত্বাধীন এলডিএফের সব বিধায়ক তা সমর্থন করেন। বিজেপি বিধায়করা অবশ্য প্রস্তাবের সংশোধনী চান। তবে সেই দাবি খারিজ করে দেন স্পিকার। প্রস্তাবে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। মূলত তিনটি দাবি রয়েছে তাতে। বলা হয়েছে, এসআইআরের নামে যে সমস্ত যোগ্য ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, অবিলম্বে তদন্ত করে তাঁদের নাম পুনরায় তালিকাভুক্ত করতে হবে। পক্ষপাতিত্বের গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত বর্তমান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ও সাংবিধানিক স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখতে নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং দেশের প্রধান বিচারপতিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
পরে মুখ্যমন্ত্রী সতীশন এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ভোটাধিকার যে কোনো গণতন্ত্রেরই ভিত্তি। কোনো প্রতিষ্ঠানই সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করতে পারে না। আমাদের স্পষ্ট দাবি— ভোটের অধিকার রক্ষা করতে হবে। সংবিধানের গুরুত্ব বজায় রাখতে হবে। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পক্ষে কেরল।’



