সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: বাহারি থিম ও ভাবনায় সেজে উঠছে কাকদ্বীপের পূজা মণ্ডপগুলি। কোথাও রয়েছে পটচিত্রের ছোঁয়া, আবার কোথাও তৈরি করা হচ্ছে স্বপ্নের দেশ। সনাতনী হিন্দু ঐক্য মঞ্চের এবছরের পূজার থিম পটচিত্রের আঙিনায় মা মহামায়া। প্রতিমাতেও রয়েছে প্রাচীন এই চিত্রের ছোঁয়া। এক্ষেত্রে বাঁশের ঝুড়ি, কুলো, ধামা, খুঁপি ও মাটির মুখোশের মতো সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পূজা কমিটির কোষাধ্যক্ষ বাবুল দাস বলেন, গ্রাম বাংলার প্রাচীন একটি শিল্পকলা হল পটচিত্র। বর্তমান এই শিল্পকলা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। সেই শিল্পকলাকে দুর্গোৎসবে নতুন করে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে কাকদ্বীপ যুবশক্তি ক্লাবের এবছরের পুজোর থিম কল্প উদ্যান। এখানে মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিমাকে উপস্থাপনা করা হয়েছে।
পূজা কমিটির সম্পাদক কিশোর দাস বলেন, এ বছর ক্লাবের পূজা ২৭তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। মণ্ডপের ভিতরের প্রাঙ্গণটিতে এক স্বপ্নের জগৎ তৈরি করা হয়েছে।কাকদ্বীপ হরিপুর ঐক্য সম্মিলনী ও মহিলা বৃন্দের এ বছরের পুজোর থিম পুষ্পালয়। বিভিন্ন ফুল ও আলোর মাধ্যমে পুরো মণ্ডপটি সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে মণ্ডপের ভিতরে দেবী দুর্গাকে মৃন্ময়ী রূপে উপস্থাপনা করা হয়েছে। ক্লাবের সভাপতি গোপাল মণ্ডল বলেন, এ বছর ক্লাবের পূজা ১৮তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। মণ্ডপের ভিতরে মাটির সাজে দেবীকে উপস্থাপনা করা হয়েছে।
সম্প্রতি আসামের বন্যা কবলিত এলাকার বিভিন্ন চিত্র কাকদ্বীপ রিক্রিয়েশন ক্লাবের পূজা মণ্ডপে তুলে ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে থার্মোকল ও বাঁশের বাতা সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সুব্রত মাইতি বলেন, এ বছর ক্লাবের পূজা ৩৭তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। পুরো মণ্ডপটিতে আসামের বন্যা কবলিত এলাকার বাস্তব চিত্রগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে।



