“বৃষ্টি বাঁচালো আমাদের। না হলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হতো। বৃষ্টির জন্যই পাট ভেজাতে পারছি। এবার পুজোয় ছেলেমেয়েদের জামাকাপড় কিনে দিতে পারব” মঙ্গলবার এমনটাই বললেন ময়নাগুড়ির চূড়াভাণ্ডার এলাকার পাট চাষিরা।
“বৃষ্টি বাঁচালো আমাদের। না হলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হতো। বৃষ্টির জন্যই পাট ভেজাতে পারছি। এবার পুজোয় ছেলেমেয়েদের জামাকাপড় কিনে দিতে পারব” মঙ্গলবার এমনটাই বললেন ময়নাগুড়ির চূড়াভাণ্ডার এলাকার পাট চাষিরা।
তাঁরা জানিয়েছেন, “এবছর পাট জাক দিতে দেরি হয়ে গিয়েছে। বৃষ্টির দেখা পাওয়া যায়নি। ফলন ভালো হয়নি। কপালে চিন্তার ভাঁজ ছিল। বৃষ্টিতে রক্ষা পেলাম। আমাদের এখানে আমরা জাতীয় সড়কের পাশে নয়নজুলিতে পাট জাক দেই। বৃষ্টি হয়েছে নয়ন জুলি ভরেছে। এবার স্বস্তি আমাদের।”