নেপি দ: ভূমিকম্পের ঘা শুকোয়নি। দিকে দিকে স্বজন হারানোর কান্না আর একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার। এরইমাঝে দেশের একাধিক জায়গায় মায়ানমারের সামরিক সরকারের বোমা হামলা জারি রয়েছে। একদিকে ভূমিকম্প আর অন্যদিকে গৃহযুদ্ধের জেরে রীতিমতো অস্থির অবস্থায় গোটা দেশ। এরইমধ্যে জুন্টা সেনার বোমাবর্ষণের তীব্র নিন্দায় সরব হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। রবিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের বলেছে, জুন্টা সেনার এই অভিযান অত্যন্ত নিন্দনীয়। ভূমিকম্পের পর সবাই যখন দুর্গতদের উদ্ধারের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চলছে, তখন জুন্টা সেনা সমানে বোমাবর্ষণ করছে। এটি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে এই সামরিক অভিযান বন্ধ করা উচিত।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার মায়ানমারের উত্তর শান প্রদেশের নাংচোয় বিমান হানায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ওইদিন ভূমিকম্পের ঘণ্টা তিনেক পরই স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ এই হামলা চালানো হয়। উত্তর-পশ্চিম মায়ানমারের সাগাইং প্রদেশের চ্যাং-ইউয়েও আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে এই এলাকা দখল করে রেখেছে জুন্টা সেনা বিরোধী গোষ্ঠী। আর সেখানেই আঘাত হানে সেনা। এমনকী থাইল্যান্ড সীমান্ত লাগোয়া এলাকাতেও বোমা হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে। ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর বিগত চার বছর ধরে মায়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। একাধিক গোষ্ঠী ও সেনার মধ্যে একের পর এক সংঘর্ষের খবর সামনে এসেছে।



