নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আজ যন্তরমন্তরের বিক্ষোভে অংশ নিতে বাধা সৃষ্টি করতে ট্রেন, বাস বা মেট্রো বন্ধ করে দেওয়া অথবা ৫০ হাজার পুলিশ মোতায়েনই নয়। কেন্দ্রীয় সরকার শনিবারের যন্তরমন্তর নিয়ে এতটাই শংকিত যে, ঘরে বসে সোস্যাল মিডিয়ায় আন্দোলন নিয়ে কোনও পোস্ট করলেও নজরদারি চালাবে। একথা গোপনে পুলিশ অথবা সাইবার ক্রাইম বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার, এরকম নয়। কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক সরাসরি বিজ্ঞপ্তি দিয়েই এই নির্দেশিকা দিয়েছে। পুলিশকেও জানিয়েছে নজর রাখতে। জুলাই মাসে যন্তরমন্তর অভিযানের সময় অনলাইনে বহু প্ররোচনামূলক পোস্টের কারণে অপরাধমূলক কাজ ঘটেছে, মিথ্যা প্রচার হয়েছে, উসকানি দিয়ে হিংসা ছড়ানো হয়েছে বলে মনে করছে সরকার। আর তাই যে কোনও পোস্ট করার আগে সাধারণ মানুষকে ভাবতে বলেছে সরকার। যাতে কোনো পোস্ট মিথ্যা তথ্য না ছড়ায় এবং সেটি কোনো বড়সড় গোলমালের কারণ হয়ে না ওঠে, সেদিকে নজর করা অথবা যাচাই করাও সেই পোস্টাদাতার দায়িত্ব। আর যদি সেই দায়িত্ব পালন করা না হয়, তাহলে পুলিশ মনে করলে সেই পোস্টের নিরিখে আইনত ব্যবস্থা নেবে। এই একই নির্দেশিকা সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকেও দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তারাও যেন এই বিক্ষোভ আন্দোলন ঘিরে যত পোস্ট হচ্ছে, সেদিকে নজর করে। অযথা কোনও বিজ্ঞাপন কিংবা বাণিজ্যের কারণে যেন উত্তেজনাকর পোস্টকে বেশি বেশি করে প্রচারের সুযোগ দেওয়া না হয়। সোজা কথায়, কেন্দ্রীয় সরকার মতপ্রকাশের ক্ষেত্রেও নজরদারির পন্থা নিয়েছে। যন্তরমন্তর অভিযান নিয়ে অফলাইন ও অনলাইন দুই প্রচার নিয়েই কেন্দ্র রীতিমতো উদ্বিগ্ন।



